ধসেই পড়ল সাফারি পার্কের দেয়াল শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদে একাংশের চেয়ারম্যান প্রার্থী কলির প্রতিবাদ

৩জুলাই’২১ইং দৈনিক কালেরকণ্ঠ পত্রিকায় “ধসেই পড়ল সাফারি পার্কের দেয়াল” শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদের একাংশের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও তরুণ আওয়ামীলীগ নেতা সাবেক ছাত্রনেতা মো. কলিম উল্লাহ কলি। প্রতিবাদ লিপিতে তিনি জানিয়েছেন, সম্প্রতি ভারি বর্ষণের প্রবল স্রোতে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারাস্থ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারী পার্কের পার্কের দক্ষিণ-পূর্বাংশের সীমানা দেয়ালের একটি অংশ ধসে পড়েছে। যা আমাদের এলাকার জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর ও দুঃখজনক বিষয়। মুষলধারে বৃষ্টিতে পানির প্রবল স্রোতে সীমানা দেয়ালটি ধসে পড়লেও তার মূল রহস্য উদঘাটন সহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা আমিও ব্যক্তি সমর্থন করি। কিন্তু দৈনিক কালেরকণ্ঠের মতো একটি পত্রিকায় কোন কিছু যাছাই বাছাই ও বিশ্লেষণ না করে কিভাবে মনগড়া, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও মানহানীকর মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে তা আমার বোধগম্য নয়। আসন্ন নির্বাচনে আমি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দলীয় নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার সম্ভাব্য প্রচারণা চালিয়ে যাওয়ার খবরে বিচলিত হয়ে প্রকাশিত উক্ত সংবাদের একাংশে কতিপয় কুচক্রি মহলের ইন্ধনে পরিকল্পিতভাবে আমাকে ঘায়েল করতে ও মানহানী করার হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতেই আমার নাম ব্যবহার করেছে। যে ঘটনার সাথে আমার কোন ধরণের সম্পৃক্ততা নেই। ওই এলাকায় আমার নামে কোন বালু মহালও নাই, বালু মহালে শেয়ারও নাই। আমার মরহুম পিতা আলহাজ¦ জামাল হোসেন চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে এতদ্বঞ্চলে নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন। বিগত নির্বাচনে দলীয় নৌকা প্রতীকে প্রার্থীও ছিলেন। আমার বড় আব্বা (জেঠা) মরহুম কামাল হোসেন চৌধুরী আওয়ামীলীগের দু:সময়ের ত্যাগী নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এবং আমার দাদা মরহুম মফজল আহমদ চৌধুরী দলের ত্যাগী নেতা ও ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। আমি সেই ধারাবাহিকতা এবং আমাদের পারিবারিক ঐতিহ্য ধরে রাখতে সমাজসেবা মূলক কাজ করে যাচ্ছি। মূলত: তা সহ্য করতে না পেরে এবং আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনৈক এক প্রার্থীর মদদে দৈনিক কালের কণ্ঠের ওই প্রতিবেদক আমার মানহানী করতে হয়রাণী মূলকভাবে প্রকাশিত সংবাদের একাংশে আমার নাম অন্তর্ভূক্ত করেছে। এছাড়াও সংবাদের একাংশে আমার পার্টনার উল্লেখ করে আমার অত্যন্ত প্রিয় জনাব, জিয়াউদ্দিনের নামও উল্লেখ করেছে। যারও কোন ধরণের সম্পৃক্ততা নেই। সরে জমিনে তদন্ত করে ঘটনায় যেই জড়িত থাকুক না কেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তাতে আমার কোন আপত্তি নেই। পরিশেষে আমি প্রকাশিত উক্ত সংবাদের একাংশের (আমার ও জিয়াউদ্দিনের) তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং প্রশাসন ও এলাকাবাসীসহ সংশ্লিষ্ট কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী: মো. কলিম উল্লাহ কলি
চেয়ারম্যান প্রার্থী ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদ,
তরুণ আওয়ামীলীগ নেতা, ডুলাহাজারা,চকরিয়া,কক্সবাজার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.