চকরিয়া পৌর এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে বাণিজ্যিক কার্যক্রম, ঘটতে পারে প্রাণহানীসহ অপ্রীতিকর দূর্ঘটনা

পৌরসভার ৩টি নোটিশ উপেক্ষিত

চকরিয়া অফিস:
চকরিয়া পৌর শহরের বাণিজ্যিক এলাকা চিরিংগা বালিকা বিদ্যালয় রোড কাচাবাজারে পৌরসভার পরপর ৩টি নোটিশের বাধা-নিষেধ উপেক্ষা করে ঝুঁকিপূর্ণ পাকাভবনে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম অব্যাহত রাখায় স্থানীয়দের মাঝে সংকা দেখা দিয়েছে। যার কারণে যেকোন মুুহুর্তে ঘটে যেতে পারে অপ্রীতিকর দূর্ঘটনা। হতে পারে জানমালেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। পৌরসভা কর্তৃপক্ষের দেয়া নোটিশ অনুযায়ী জমি ও ভবন মালিক পক্ষ বাধা নিষেধ মেনে ভবনের পেছনের অন্যান্য অংশ ভেঙ্গে পূণ:নির্মাণকাজ শুরু করলেও বাণিজ্যিক মার্কেটের ৩জন ব্যবসায়ী পৌরসভা কর্তৃপক্ষের নোটিশের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করে বাণিজ্যিক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
প্রাপ্ত তথ্যে ও অভিযোগে জানাগেছে, চকরিয়া পৌরসভার চিরিংগা বালিকা বিদ্যালয়স্থ কাচাবাজার সড়কে ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত হাজী নজির আহমদের পুত্র আবদু শুক্কুর গংয়ের মালিকানাধীন একটি পাকা ভবন রয়েছে। ওই ভবনের ৩টি কক্ষ বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য সেলামিতে চুক্তি ভিত্তিক দীর্ঘকাল পূর্বে ভাড়া নেন চকরিয়া পৌরসভা ৩নং ওয়ার্ডের লক্ষ্যারচর সিকদারপাড়া গ্রামের শাহ আলম সওদাগরের পুত্র আনোয়ারুল আনু, মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ও মোহাম্মদ ওবাইদুল্লাহ। কিন্তু ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ধ্বসে পড়ে অসংখ্য মানুষের প্রাণহানী ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী চকরিয়াতেও বিভিন্ন ঝুকিপূর্ণ ভবন বাছাই করা হয়। এরই মধ্যে উল্লেখিত আবদু শুক্কুরের ভবনটিও ঝুকিপূর্ণ চিহ্নিত করে ভবন মালিক ও ভাড়াটিয়াদেরকে বিগত ১৩ আগষ্ট’১৯ইং প্রথম দফা, ৪ সেপ্টেম্বর’১৯ইং দ্বিতীয় দফা ও ২৮ অক্টোবর’১৮ইং তৃতীয় দফায় পৌরসভা কর্তৃপক্ষ নোটিশ প্রদান করেন। নিজ দায়িত্বে ভবন অপসারণ করা না হলে বিধিমালার এস.আর.ও নং ১১২/১৯৯৬ বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন আইন, ১৯৫২ ইবি অ্যাক্ট ১১ অফ ১৯৫৩সহ ইমারত নির্মাণ বিধি মোতাবেক কঠোর হস্তে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নোটিশ দেন চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী। অথচ: নোটিশপ্রাপ্তির দীর্ঘ এক বছরের অধিক সময় পার হলেও সংশ্লিষ্টরা তা কার্যকর করেনি। ভবন মালিক আবদু শুক্কুর জানান, তিনি পৌরসভার নোটিশের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করে ভবনের পেছনের সকল অংশ ইতিমধ্যে ভেঙ্গে ফেলেছেন এবং পাশ্ববর্তী অন্য মালিকানার ভবনও একই নিয়মে ইতিমধ্যে ভেঙ্গে ফেলেছেন। অথচ তার ভাড়াটিয়ারা তা উপেক্ষা করে উক্ত ঝূকিপূর্ণ ভবনে বাণিজ্য অব্যাহত রেখেছে। এমনকি তাদের দেয়া চুক্তিপত্রেও সবকিছু উল্লেখ করে রয়েছে।
চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী বলেন, ঝুকিপূর্ণ ভবন অপসারণ করা না হলেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।##

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.