এখনই প্রদক্ষেপ জরুরী ,কক্সবাজার বাতাসে ধীরে ধীরে বিষ ছড়িয়ে পড়ছে, বায়ু দূষনের মাত্রা ৮৮.২%

নভেম্বর মাসের বায়ু দূষনের চিত্র

শাহী কামরান:: সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের দি ইকোনমিস্ট পত্রিকার ‘ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিট’ বসবাসযোগ্যতার ভিত্তিতে বিশ্বের বিভিন্ন শহরের তালিকা প্রকাশ করেছে। তালিকায় বাংলাদেশের রাজধানী শহর ঢাকা বিশ্বে বসবাসের সবচেয়ে অযোগ্য শহর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ঢাকার সাথেই বায়ূ দূষনে পিছিয়ে নেই কক্সবাজার জেলাও। বর্তমানে বায়ূ দূষনে ঢাকার অবস্থান ৯০.২%। অথচ চট্রগ্রাম শহরও ৪৪.১%। কিন্তু অবাক হলেও সত্য যে কথিত স্বাস্থ্যকর স্থান, কক্সবাজারের বর্তমান বায়ু দূষনের মাত্রা ৮৮.২%। বায়ু দূষনের মাত্রাটি কক্সবাজার শহরে ৮৭.০% থেকে সর্বোচ্চ ৮৮.২% পযর্ন্ত দেখা দিয়েছে।

প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষরা দ্রুত বায়ু দূষণ রোধে ব্যবস্থা না নিলে কক্সবাজার শহরে স্বাস্থ্যগত বিপযর্য় দেখা দিতে পারে বলে আশংকা করছেন সচেতন মহল। বর্তমানে, ধূলয় দূসর কক্সবাজার জেলার প্রত্যেকটি সড়ক মহা-সড়ক।বিভিন্ন যানবাহনের কালো ধুয়া ও রাস্তার ধূলাবালি বায়ু দূষনের প্রধান কারন।

কলাতলী হতে রামু কলঘর বাজার পর্যন্ত মহাসড়ক জুড়ে বালিময়। রেল লাইনের কাজে ও টেকনাফ সড়ক উন্নয়নে যে সমস্ত বালি ব্যবহার হচ্ছে তা মহা সড়ক দিয়ে যাচ্ছে। তাদের কামখেয়ালিপনার কারনে রাস্তায় ধূলাবালিময় হয়ে পড়েছে। ব্যস্ততম এই মহাসড়কটি বর্ষা মৌসুমের পর পরেই ধূলাবালিময় হয়ে পড়েছে। সামনে শীতকাল নিয়ে আরো বেশী চিন্তিত সাধারন জনগন। তাদের প্রতিদিন চলাফেরা করতে যেন দুঃখের শেষ নেই।

সম্প্রতি বর্ষা মৌসুমের শেষের দিকে সড়কের সংস্কার করা হয়েছে ইট এবং বালি দিয়ে। তা কিছুদিন রাস্তায় থাকলেও গাড়ি চলাচলের কারনে তা এখন ধূলায় পরিনত। তাই উক্ত সড়ক জুড়ে ধূলাবালি প্রচন্ড।

এদিকে সচেতন মহল মন্তব্য করে বলেন, যদি সড়কে প্রতিদিন একটু করেও পানি ছিটকানো যেত তাহলে ধূলাবালি কিছুটা নিয়ন্ত্রন করা যেত, তবে দেখার কেউ নাই। দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যায় আমরা ভুগতেছি অথচ এটার প্রতিকারের জন্য কাউকে এখনো পর্যন্ত মাঠে দেখিনি।

এব্যাপারে বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা জানান, ধূলা দূষনের কারনে শিশু ও বয়ষ্কদের
শ্বাসকষ্ট,হাপানি, টিবি,এলার্জি,চর্মরোগ সহ নানা জটিল রোগ ব্যাধি হয়ে থাকে। এটি দ্রুত কোন ব্যবস্থা না নিলে ছোট বড় সবার উপরে উল্লেখিত রোগ ব্যাধির মহামারী হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.