হাইয়েস-মাইক্রোবাস শ্রমিক নেতবৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে জাফর আলম এমপি

শেখ হাসিনার পরিকল্পনায় নিরাপদে যাত্রী পরিবহনে চারলেনে উন্নীত হচ্ছে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

আবদুল মজিদ:

পালাকাটাস্থ বাসভবনে হাইয়েস-মাইক্রোবাস শ্রমিক নেতবৃন্দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন জাফর আলম এমপি
চকরিয়া-পেকুয়া (কক্সবাজার-১) আসনের সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলমের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন কক্সবাজার জেলা হাইয়েস-মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ। শনিবার রাতে চকরিয়া পৌরসভার পালাকাটাস্থ বাসভবনে এমপি জাফর আলমের সঙ্গে সাক্ষাত পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় করেন কক্সবাজার জেলা হাইয়েস-মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিঃ নং চট্ট – ২৪০২ এর নব গঠিত কার্যকরী পরিষদের নেতৃবৃন্দ।
এমপি আলহাজ্ব জাফর আলমের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় কালে এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি নুরুল হোসেন (মনু), কার্যকরী সভাপতি ও চকরিয়া উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি জামাল উদ্দিন, সংগঠনের সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম বাবু, সাধারণ সম্পাদ মো.মহি উদ্দিন খোকন, সহ সম্পাদক শাহাব উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাসেল, অর্থ সম্পাদক কফিল উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক হুমায়ন কবির, প্রচার সম্পাদক আবদুল খালেক, লাইন সম্পাদক নুরুল আবছার, কার্যকরী সদস্য আবদুল রুবেল।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এমপি জাফর আলম বলেছেন, যান্ত্রিক ক্রটি সম্পন্ন গাড়ির অবাধ চলাচল ও অদক্ষ চালকদের দিয়ে গাড়ি চালানোর কারণে প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটছে। এতে প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। অনেকে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে শাররীকভাবে পঙ্গুত্ব হচ্ছে। আশাকরি মালিক ও শ্রমিক সংগঠন গুলো এসব বিষয় সমুহ আমলে নিয়ে আগামীতে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কাজ করবে। সরকারের নীতিমালার আলোকে পরিবহন ব্যবসা নিশ্চিতে কাজ করবে।
তিনি বলেন, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে বর্তমান সড়ক দখলের ঘটনা একটি মারাত্বক ব্যধিতে পরিণত হয়েছে। এই অপর্কম থেকে সবাইকে বেরিয়ে আসতে হবে। দখলের কারণে প্রতিনিয়ত সড়ক সংকোচিত হচ্ছে। এতে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা তৈরী হচ্ছে বেশি। ইতোমধ্যে জননেত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনায় ও সুদক্ষ নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিরাপদে যাত্রী পরিবহন নিশ্চিতকল্পে বর্তমান সড়কটির আধুনিকায়নে চার লেনে নতুন সড়ক সম্প্রসারণে কাজ শুরু করেছেন। আশাকরি আগামী দুইবছরের মধ্যে নতুন সড়কের সুফল ভোগ করবে কক্সবাজারবাসি।
তিনি বলেন, জনসাধারণ সহজে এবং অল্প খরচে গন্তব্যে পৌছাঁতে গনপরিবহন গুলো ব্যবহার করছে। তাই এখন থেকে নিরাপদে যাত্রী পরিবহনে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম সড়কে মালিক-শ্রমিকদের সর্তক ভুমিকা পালন করতে হবে। তাতে জনগনের মাঝে গনপরিবহন ব্যবস্থার প্রতি আস্থা বাড়বে। ##

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.