হারবাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সম্মেলনে চেয়ারম্যান মিরান সভাপতি ও মিরাজ সম্পাদক পুনরায় নির্বাচিত

চকরিয়া অফিস:
চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সম্মেলন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার দুপুরে হারবাং ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ সম্মেলন অনুষ্টিত সম্মেলনে পুনরায় বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম মিরানকে সভাপতি ও মেহরাজ উদ্দিন মিরাজকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
সম্মেলনের শুরুতে সকালে প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। হারবাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম মিরানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন চকরিয়া-পেকুয়া (কক্সবাজার-১) আসনের সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব জাফর আলম।
হারবাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহরাজ উদ্দিন মিরাজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক এবং জেলা পরিষদ সদস্য লায়ন কমরউদ্দিন আহমদ, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য এটিএম জিয়াউদ্দিন চৌধুরী জিয়া, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আমিনুর রশিদ দুলাল, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ছরওয়ার আলম, সহ-সভাপতি এমআর চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক জামাল উদ্দিন জয়নাল, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম লিটু, জেলা পরিষদের সদস্য অধ্যাপক সোলতান আহমদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক মিজবাউল হক, প্রচার সম্পাদক আবু মুছা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আবছার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য রোস্তম শাহরিয়ার, পরিমল বড়–য়া প্রমুখ। এছাড়া সম্মেলনে ইউনিয়ন ও সকল ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি সম্পাদক সকলস্তরের নেতাকর্মী এবং সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম এমপি বলেছেন, আগামীতে সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামীলীগের প্রতিটি ইউনিটকে ঢেলে সাজানো হবে। নতুন কমিটি নেতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে দলের জন্য নিবেদিত ও ত্যাগী নেতাকর্মীদেরকে যথাযথ মুল্যায়ন করতে হবে। কমিটির নেতা নির্বাচনে অপকর্মে জড়িত থাকলে কেউ স্থান পারবেনা। পাশাপাশি সদ্য অনুপ্রবেশকারী কাউকে আওয়ামীলীগের সম্মেলনে কাউন্সিলার এবং পদায়ন করা যাবে না।
তিনি বলেছেন, দলত্যাগী ও বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছেন এমন নেতাও তালিকা থেকে বাদ যাবে। তবে গ্রহণযোগ্য ও ত্যাগী নেতাদের খুজে খুজে পদায়ন এবং কাউন্সিলার করতে হবে। উপজেলা আওয়ামীলীগের অধিনে সকল ইউনিয়ন শাখার সম্মেলন যথা সময়ে সম্পন্ন করতে হবে। সেইজন্য প্রতিটি ইউনিটের নেতাকর্মীকে দায়িত্বশীল ভুমিকা পালন করতে হবে। আশাকরি দলের ঐক্যের প্রয়োজনে সকল ধরণের ভেদাভেদ ভুলে আওয়ামীলীগের সকলস্তরের নেতাকর্মীদেরকে এক কাতারে এসে কাজ করতে হবে। বিভেদ ভুলে যেতে হবে। এটি সভানেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.