চকরিয়ায় কিশোর শিক্ষার্থীকে ৪৮ ঘন্টা আটকিয়ে কাবিন নামায় সাক্ষর আদায়! শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ১১ নভেম্বর’১৯ইং দৈনিক বাকখালী পত্রিকা ও অনলাইন পত্রিকায় “চকরিয়ায় কিশোর শিক্ষার্থীকে ৪৮ ঘন্টা আটকিয়ে কাবিন নামায় সাক্ষর আদায়!” শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন কাল্পনিক ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। সংবাদের সাথে বাস্তবতার কোন মিলনাই। সংবাদে উল্লেখিত মোহাম্মদ বিন আছকরীকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে ননজুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে জোর পূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার বিষয়টি সঠিক নয়। আমার বোনকে দীর্ঘদিন ধরে উল্লেখিত মোহাম্মদ বিন আছকরী ভালবেসে আসছেন। বিষয়টি আমাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে গোপন রেখেছিল। কিন্তু গত ৫নভেম্বর’১৯ইং রোজ মঙ্গলবার রাতে মধ্যম কৈয়ারবিলস্থ আমাদের বাড়িতে উল্লেখিত বরইতলী ইউনিয়নের শান্তি বাজার গ্রামের মাওলানা ইব্রাহিম আছকরীর ছেলে মোহাম্মদ বিন আছকরী কৌশলে ঢুকে পড়ে। এক পর্যায়ে আমরা পরিবারের সদস্যরা ও স্থানীয় লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে মোহাম্মদ বিন আছকরীকে আপত্তিকর অবস্থায় হাতে-নাতে ধরে ফেলেন। পরবর্তীতে বিষয়টি তার পরিবারে খবর পৌছলে মোহাম্মদ বিন আছকরীর পিতা মাওলানা ইব্রাহিম আছকরী এবং তার পরিবারের অন্যান্য সদস্য ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ নিয়ে ঘটনাস্থল আমাদের বাড়িতে গিয়ে ঘটনার সমাধানের চেষ্টা করেন। ওই সময় উভয় পক্ষের সম্মতিতে ছেলের পিতা মাওলানা ইব্রাহিম আছকরীর অনুরোধে স্থানীয় নিকাহ রেজিষ্টার (কাজী) সাহেবকে ডেকে এনে ৮লাখ টাকার দেনমোহরে দু’জনের বিবাহনামা সম্পাদন হয়। ওই সময় ছেলের পিতা মাওলানা ইব্রাহিম আছকরীর নিজেই সন্তানের জন্মনিবন্ধন কাজী সাহেবের হাতে তুলে দেন। এরপর কাবিননামা সম্পাদন ও আকদ্ করান নিকাহ রেজিষ্টার (কাজী) মৌলানা জুবাইর এবং ছেলে মোহাম্মদ বিন আছকরীর সুন্দর সংসারিক জীবনের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ছেলের পিতা মাওলানা ইব্রাহিম আছকরী নিজেই। কিন্তু পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে অপপ্রাপ্ত বয়স্ক মাদ্রাসা পড়–য়া শিক্ষার্থী ছেলে মোহাম্মদ বিন আছকরীর মোবাইল ফোনে দাওয়াতের বাহানা দিয়ে ডেকে নিয়ে দীর্ঘ ৪৮ ঘন্টা আটকে রেখে অলিখিত নন জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প স্বাক্ষর আদায় ও খুটির সাথে বেঁেধ রাতভর অমানুষিক নির্যাতনের কথা সঠিক নয় এবং জোর পূর্বক আটলক্ষ টাকার দেনমোহর সৃজনপূর্বক একটি বিবাহের কাবিন নামায় সাক্ষর করে ছেড়ে দেওয়ার কথা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। প্রকাশিত সংবাদে ছেলেকে ১৭ বছর দেখানো হলেও তার প্রকৃত জন্ম তারিখ ১০/১২/১৯৯৬ইং তথা ২৩ বছর চলমান রয়েছে। নিকাহ রেজিষ্টার (কাজী) মৌলানা জুবাইর নিজেই অনলাইন যাছাই করে উক্ত কাবিননামা সম্পাদন করেন। মূলত: পত্রিকায় মিথ্যা ও কাল্পনিক সংবাদ দিয়ে প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করার জন্য শাক দিয়ে মাছ ঢাকার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তাই প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে প্রশাসন ও এলাকাবাসীসহ সংশ্লিষ্ট কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি এবং সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী- মো: সাকিব, পিতা মৌলানা আবদুল গফুর,
সাং মধ্যম কৈয়ারবিল, চকরিয়া,কক্সবাজার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.