চকরিয়ায় ভূমিদস্যু রফিক গং আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে সাংবাদিকের জমি দখলের চেষ্টা

চকরিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় দৈনিক ভোরের ডাক পত্রিকার চকরিয়া প্রতিনিধি সাংবাদিক একেএম বেলাল উদ্দিনের মালিকানাধীন চকরিয়া পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডে কক্সবাজারের বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশ অমান্য করে দীর্ঘ ৪০ বছরের ভোগ দখলীয় জমি জমি স্থানীয় ভূমিদস্যু ও দখলবাজ রফিকুল ইসলাম গং সন্ত্রাসী কায়দায় জবর দখলে মেতে উঠেছে। দখলবাজদের হুমকি ধমকিতে আইনের আশ্রয় চেয়েছেন। সাংবাদিক একেএম বেলাল উদ্দিন ওই এলাকার মরহুম হাজী ফেরদৌস আহমদের ছেলে। এনিয়ে গত ১৪ অক্টোবর বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, কক্সবাজারে জমিতে ১৪৪ধারা আদেশ চেয়ে এম আর মামলা (নং ১০৪৫/২০১৯ইং) দায়ের করেন।
ভূক্তভোগী সাংবাদিক একেএম বেলাল উদ্দিন অভিযোগ করেন, চকরিয়া পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের কাকারা মৌজার বিএস ৩৪১ নং খতিয়ানের বি এস ৪৫০,৩০৪,৩০৫,৩৫৯,৩৬০,ও ৩৩৯ নং দাগাদির জমি নিয়ে সৃজিত বি এস ১৯১৯ ও ২৯২৮ এবং তৎ বি এস হইতে সৃজিত বি এস ৩৩৫৪,৪০১৪ নং খতিয়ানের উপরোক্ত দাগাদির ৬০.৩৩ শতক জমি ক্রয় সূত্রে ও পৈত্রিক মালিকানা রয়েছে। তিনি এবং তার মা-বাবার ওয়ারিশগন দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে শান্তিপূূর্ণভাবে ভোগ দখলেও রয়েছেন। সম্প্রতি ওই জমির উপর লোলুপ দৃষ্টি পরে স্থানীয় মৃত আহমদ সওদাগরের পুত্র চিহ্নিত ভূমিদস্য ও দখলবাজ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম গংয়ের। বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়েরকৃত মামলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) চকরিয়াকে সরে জমিনে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিল এবং চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জকে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশনা দেন। তারই আলোকে গত ১৭ অক্টোবর চকরিয়া থানার উপপরিদর্শক প্রিয়লাল ঘোষ ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৪৪ধারার আদালতের স্মারক নং ১৪৭৭/১৯এ নোটিশ দেন এবং সরেজমিনে গিয়ে দ্বিতীয় পক্ষকে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নালিশী সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ ও জবর দখল চেষ্টা থেকে বিরত থাকার জন্য আদালতের আদেশক্রমে নির্দেশ দেন। অভিযোগ উঠেছে, ভূমিদস্যুরা তা অমান্য করে জমি জবর দখলে নিতে সাংবাদিক পরিবারের উপর বিভিন্নভাবে হুমকি ধমকি অব্যাহত রেখেছে। এ ব্যাপারে তিনি প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সরেজমিনে এলাকাবাসী জানান, গাড়ীর ব্যাটারি মেরামত করে শ্রমিক থেকে বর্তমানে কোটি টাকার মালিক ভূমিদস্যু রফিক। বিগত ৫ বৎসরে দখলবাজী ও ভূমি দস্যুতা করে কোটি হওয়ার পর বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। প্রভাবশালী এক নেতা এ অন্যায় কাজে সহযোগীতা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।##

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.