কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল আযহার প্রধান জামাত সকাল ৮ টায়


পবিত্র ঈদুল আযহায় কক্সবাজারে প্রথম ও প্রধান ঈদের জামাত কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮ টায় অনুষ্ঠিত হবে।
কক্সবাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতীব অধ্যক্ষ আল্লামা মাহমুদুল হক পবিত্র হজে থাকায় ঈদের জামাতে ইমামতি করবেন ভারপ্রাপ্ত খতিব মাওলানা মুফতি সোলাইমান কাসেমী।
ঈদ জামাতে জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন, পুলিশ এবিএম মাসুদ হোসেন, পৌর মেয়র মুজিবুর রহমানসহ প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় কর্তারা অংশ গ্রহণ করার কথা রয়েছে।
কক্সবাজার পৌরসভার ব্যবস্থাপনায় জেলার প্রধান ঈদ জামাতের প্রস্তুুতি হিসেবে পুরো ঈদগাহ মাঠকে ত্রিপলের ছাউনি দিয়ে ঢেকে ফেলা হয়েছে। এতে অন্তত ১২ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
ঈদের জামাতকে ঘিরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
পৌর শহরের বিভিন্ন স্থানে আলোকসজ্জা, রং-বেরংয়ের ব্যানার ফেন্টুন টাঙ্গানো হয়েছে।
বন্দিদের জন্য জেলা কারাগারে বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে, কোরবানির পশু বর্জ্য সঠিকভাবে সংরক্ষণ এবং নির্দিস্ট স্থানে ফেলতে সাথে নির্দিস্ট স্থানে পশু জবাই করতে ও সাধারণকে আহবান জানিয়েছেন কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান।
কক্সবাজার পৌরসভা সুত্রে জানা গেছে, কোরবানীর ঈদের দিন পৌরসভার ১২০ জন পরিচ্ছন্নকর্মী মাঠে থাকবে। এছাড়া ৪ টি বড় গাড়ী জীবানু নাশক ঔষধ ছিটাবে।

৩৪টি স্থানে কোরবানী পশু জবাই করতে হবে:
কক্সবাজার পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডে ৩৪টি স্থানে কোরবানী পশু জবাই করার জন্য স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া বর্জ্য অপসারণে থাকবে বিশেষ দল। নির্ধারিত স্থানে পশু জবাইয়ে মনিটরিংয়ের দায়িত্বে থাকবে স্ব স্ব ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও সমাজপতিরা। নির্ধারিত স্থান ছাড়া অন্য স্থানে পশু জবাই করলে গর্ত করে রক্ত, গোবর ও পরিত্যক্ত অংশ মাটি চাপা দিতে হবে। জবাইয়ের পর উচ্ছিষ্ট অংশ নির্ধারিত ডাস্টবিনে ফেলতে হবে।
গত ৪ আগষ্ট জেলা প্রশাসন আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় কুরবানির পশু জবাইয়ের নির্দিষ্ট জায়গাগুলো হলো-
১ নং ওয়ার্ডের সমিতি পাড়া বাজার মাঠ, কুতুবদিয়া পাড়া উপকূলীয় উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ ও কুতুবদিয়া পাড়া।
২ নং ওয়ার্ডের- উত্তর নুনিয়ছড়া তিন রাস্তার মোড়, রাশিয়ান ফিশারী হাজী হাছন আলী স্কুল মাঠ, উত্তর নুনিয়রছড়া আর্মি মাঠ।
৩নং ওয়ার্ডের- বড় বাজার ও বঙ্গবন্ধু সড়ক।
৪নং ওয়ার্ডের- টেকপাড়া জনকল্যাণ সমাজ কমিটি মাঠ, টেকপাড়া বড় পুকুর পাড় ও পূর্ব টেকপাড়া।
৫নং ওয়ার্ডের- এস এম পাড়া আমি হোসেন প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ, শহীদ তিতুমীর ইনস্টিটিউট মাঠ ও জেলা পশু সম্পদ কর্মকর্তা কার্যালয়।
৬ নং ওয়ার্ডের ডিককুল হাজীর মক্তব মাঠ ও সিকদার পাড়া সাইক্লোন সেন্টার মাঠ।
৭নং ওয়ার্ডে- তারাবনিয়ার ছড়া কবর স্থান মাঠ ও পূর্ব পাহাড়তলী।
৮নং ওয়ার্ডে- বৈদ্যঘোনা বিবি হাজেরা জামে মসজিদ প্রাঙ্গন ও দক্ষিণ টেকপাড়া।
৯নং ওয়ার্ডে- ঘোনার পাড়া জামে মসজিদ মাঠ, মোহাজের পাড়া মাঠ ও খাজা মঞ্জিল জামে মসজিদ মাঠ।
১০ নং ওয়ার্ডে- স্টেডিয়াম পাড়া, হাসপাতাল সড়ক, মধ্যম বাহারছড়া ও দক্ষিণ বাহারছড়া।
১১নং ওয়ার্ডে- বাহারছড়া মসজিদ, বাহারছড়া গোল চত্বর, কাউন্সিলর কোহিনুর ইসলামের বাড়ির সামনে ও হাফেজ সাহেবের বাড়ি।
১২ নং ওয়ার্ডে- কলাতলী প্রাইমারী স্কুল মাঠ, কলাতলী মঞ্জুরের বাড়ি ও মফিজ মাস্টারের বাড়িতে গরু জবাই করা হবে। কক্সবাজার পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা খোরশেদ আলম জানান, কোরবানি পশুর বর্জ্য অপসারণে আন্তরিক প্রচেষ্টাই থাকবে পৌর কর্তৃপক্ষ। আবহাওয়া ঠিক থাকলে একদিনেই জবাইকৃত পশুর বর্জ্য অপসারণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.