নিরক্ষতামুক্ত আগামী প্রজন্মের শিক্ষাবান্ধব চকরিয়া গড়তে শিক্ষক সমাজকে ভুমিকা পালন করতে হবে

চকরিয়া উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী

চকরিয়া অফিস:
প্রাথমিক শিক্ষার মান্নোয়ন নিশ্চিতকল্পে করুর্ণীয় নির্ধারণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আধুনিকায়নে সরকারি বরাদ্দের আলোকে ক্ষুদ মেরামত প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ৬৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন নিশ্চিত করণে, পিইডিপি-৪ প্রকল্পের অধীনে ২০টি বিদ্যালয়ে বড়ধরণের মেরামত ও বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির অনুমোদনসহ একগুচ্ছ বিষয়ের আলোকে গতকাল বুধবার (২২ মে) দুপুরে উপজেলা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে চকরিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
চকরিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ ফজলুল করিম সাঈদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আলোচ্য সুচী উপস্থাপন করেন চকরিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গুলশান আক্তার।
সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মকছুদুল হক ছুট্টো, উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন হক জেসি চৌধুরী, উপজেলা শিক্ষা কমিটির সদস্য আওয়ামীলীগ নেতা আলহাজ সেলিম উল্লাহ, চকরিয়া উপজেলা প্রকৌশলী কমল কান্তি পাল, করাইয়াঘোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিনা আক্তার প্রমুখ। সভায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির অপরাপর সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ ফজলুল করিম সাঈদী বলেছেন, চকরিয়া উপজেলার প্রতিটি বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষার মান্নোয়ন নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আধুনিকায়নে সরকারি বরাদ্দের ক্ষুদ মেরামত প্রকল্পের আওতায় বিদ্যালয় গুলোকে ঢেলে সাজাতে হবে। কাজের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও টেকসই নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বে বর্তমান সরকার বছরের প্রথমদিন শিক্ষার্থীরা নতুন পাঠ্যবই পাচ্ছে। লেখাপড়া করতে উপবৃত্তি সুবিধা পাচ্ছে। মেধাবীদের সরকারি চাকুরী নিশ্চিত করা হচ্ছে। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চালু করা হয়েছে মিড ডে মিল প্রকল্পসহ নানা ধরণের প্রনোদনা প্রকল্প। যাতে শিক্ষার্থীরা এসব সুবিধা নিয়ে সুন্দর পরিবেশে লেখাপড়া করতে পারে।
উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী আরও বলেন, আগামী দিনের দেশগড়ার কারিগর নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদেরকে সুনাগরিক হিসেবে তৈরী করতে হবে। লেখাপড়ার পাশাপাশি ক্রীড়া সাংস্কৃতিক চর্চা বাড়াতে হবে। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদেরকে লেখাপড়ার মাধ্যমে আর্দশবান সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে কাজ করতে হবে। আগামী প্রজন্মের জন্য নিরক্ষতামুক্ত শিক্ষাবান্ধব চকরিয়া গড়তে শিক্ষক সমাজকে দায়িত্বশীল ভুমিকা পালন করতে হবে। আশাকরি সবাই ভালো কাজের সঙ্গে থাকবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.