চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালীতে তুচ্ছ বিষয়ে সন্ত্রাসী হামলায় ১৫বসতবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ৫টি গাড়ী ভাংচুর

চকরিয়া উপজেলার ফাসিয়াখালী ইউনিয়নের ছড়ারকুল এলাকায় ফুটবল খেলার তুচ্ছ বিরোধকে কেন্দ্র করে ১৫ বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ৫টি গাড়ী ভাংচুর এবং বসতবাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও মালামাল লুটের ঘটনা ঘটেছে। গত ৬ মে এবং গতকাল ৯ মে রাতে এ ঘটনা ঘটেছে।
অভিযোগে জানাগেছে, গত ৬মে বিকেলে শিশু-কিশোরদের একটি ফুটবল টর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। ফুটবল খেলায় হার-জিত নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। খেলায় দু’পক্ষের বেশ কয়েকজন কমবেশি আহত হয়েছে। পরে এ ঘটনায় ফাসিয়াখালী সিকদারপাড়ার লোকজন জড়ো হয়ে ওইদিন রাতে ছড়ারকুল এলাকার বিভিন্ন বসতবাড়িতে হামলা ও ভাংচুর চালায়। উত্তেজনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সর্বশেষ গত ৯মে রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিকদারপাড়ার প্রায় ২শতাধিক লোকজন ধারালো অস্ত্র লাঠি-সোটা নিয়ে ছড়ারকুলের প্রায় ১৫টি বসতবাড়ি ও দোকানপাটে ভাংচুর চালায়। লুট করে নিয়ে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মালামাল। এক পর্যায়ে প্রত্যেক বাড়ি থেকে গরম পানি নিক্ষেপ করে হামলাকারীদের তাড়ানোর চেষ্টা করে। ওই সময় সিকদারপাড়া এলাকার ৪জনকে হাতে নাতে ধৃত করে স্থানীয়রা। হামলার সময় ২টি ডাম্পার ট্রাক, ১টি পিকআপ ও ২টি মোটর সাইকেল ভাংচুর করে। হামলাকারীরা ঘটনা করে পালানোর সময় মেইন রোডস্থ দক্ষিণ সিকদারপাড়া গ্রামের মৃত মকবুল আহমদের পুত্র আবদুল মতলবের বাড়িতে ঢুকে ভাংচুর চালায় সিকদারপাড়ার লোকজন। অন্যান্য ভাংচুরকৃত বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ছড়ারকুলের মৃত সিকান্দরের পুত্র সৈয়দ আহমদ, নুরুল আমিনের পুত্র ছাবের আহমদ, মো: আলীর মেয়ে মুন্নি, ইউসুফ আলীর পুত্র গিয়াস উদ্দিন, হান্নান সওদাগর পিতা অজ্ঞাত, সিকান্দরের পুত্র আহমদ মিয়া। এঘটনায় একাধিক মামলার প্রস্তুতি নিয়েছে ছড়ারকুলের ভূক্তভোগী জনসাধারণ। তারা প্রশাসনের কাছে তদন্ত সাপেক্ষে সুবিচার কামনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.