চকরিয়ায় ক্ষতিপূরণ না দিয়ে জমিতে এলও অফিসের খুঠি স্থাপন নিয়ে ক্ষুদ্ধ ক্ষতিগ্রস্তরা

চকরিয়া অফিস:

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ায় চার লেন সড়ক এবং ৬ লেন বিশিষ্ট মাতামুহুরী সেতু নির্মাণের পূর্বে জমি অধিগ্রহণ, সার্ভেয়ার জরিপ, স্থাপনার ক্ষতিপূরণ নিয়ে বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠছে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী। এমনকি জমির রেকর্ডিয় খতিয়ান ও স্থায়ী স্থাপনা থাকা সত্ত্বেও কক্সবাজার এলও শাখার সার্ভেয়ার তথা কথিত জরিপ দেখিয়ে উক্ত দখলীয় জমিকে খাস জমি হিসেবে চিহ্নিত করে নতুন করে খুঠি স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে।  চকরিয়া উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের (মাতামুহুরী ব্রীজের পূর্বপাশ্বে) চরপাড়া এলাকায় ঘটেছে এ ঘটনা।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সূত্রে অভিযোগে জানান, বিগত প্রায় ২৫ বছর পূর্বে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়া লক্ষ্যারচর জিদ্দাবাজার হয়ে নতুন সড়কটি নির্মিত হয়। ওই সড়কটি তৈরী করার সময় সরকারের দপ্তর জমি অধিগ্রহণ করলেও সিংহ ভাগ জমি মালিক ক্ষতিপূরণের টাকা বুঝে পাননি। এরপরও ক্ষতিগ্রস্ত জমি মালিকরা স্ব স্ব জমি ছেড়ে দিয়েছেন। এমনকি অধিগ্রহণকৃত ওই জমিতে পূর্বে থেকে সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে খুঠি স্থাপন করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে মহাসড়কের চার লেন সড়ক ও ৬ লেনের নতুন ব্রীজ নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার পূর্বমুহুর্তে নতুন করে সীমানা খুঠি স্থাপন করেছেন।

অভিযোগ উঠেছে, কক্সবাজার এলও অফিস কোন ধরণের ক্ষতিপূরণ না দিয়ে স্থানীয় জিদ্দাবাজার চরপাড়া এলাকার (রয়েল ক্লাবের সামনে) মৃত মোহাম্মদ আলীর পুত্র আবদুল মজিদ, আবদুর রহিম, মো: করিম ও মো: মানিক এবং মৃত আজিজুর রহমানের নুরুল আমিন, বশিল আলম, শফি আলম ও জামাল সওদাগরসহ বেশ কয়েকজন ব্যক্তির মালিকানাধীন লক্ষ্যাচর মৌজার বিএস খতিয়ান নং ৪৩৪, বিএস দাগ নং ৩১৭৬ ও ৩১৭৭ এর ১০ শতক জমির বসতভীটার উপরে গিয়ে সম্প্রতি নতুন করে হলুদ রংয়ের খুঠি স্থাপন করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এসব পরিবার জানিয়েছেন, তাদের জমি অধিগ্রহণ কিংবা খাস জমি দাবী করলেও তাদেরকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে জমি খুঠি স্থাপন ও সাভেয়ার জরিপের বিষয়ে ইতিপূর্বে কোন ধরণের নোটিশ দেওয়া হয়নি। তাই তারা সরেজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা এনিয়ে প্রয়োজনের আদালতের আশ্রয় গ্রহণ করবেন জানিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.