ফাইতংয়ে বসতঘরে হামলা ও পাহাড় কেটে ইট ভাটায় মাটি বিক্রি সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ

গত ৩ ও ৪মার্চ দৈনিক হিমছড়ি, আজকের কক্সবাজার, আমাদের কক্সবাজার ও জাতীয় খবর পত্র পত্রিকায় “ফাইতংয়ে দীর্ঘদিনের বসতঘরে হামলা ও ভাংচুর, পাহাড় কেটে ইট ভাটায় মাটি বিক্রির হিড়িক” শীর্ষক সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন কাল্পনিক ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। সংবাদের সাথে বাস্তবতার কোন মিলনাই। মূলত: পার্বত্য বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার ৩০৬নং ফাইতং মৌজার বড়খোলা গ্রামে এ ধরণের কোন ঘটনা ঘটেনি। ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে এসব কল্পকাহিনী সাজিয়েছে। যার আদৌ কোন সত্যতা পাওয়া যাবেনা। ৩০৬নং ফাইতং মৌজার বড়খোলা গ্রামে ১৯৮০-৮১ সনের বন্দোবস্তি ক্রয় মূলে আর হোল্ডিং নং ৫৫ এর ৪.৮০ একর (চার একর ৮০ শতক) জমির মালিক সৈয়দ আহমদ ও রশিদ আহমদ। উক্ত জমিতে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে দীর্ঘদিন ধরে ভোগ দখলে রয়েছি। তদ্বরূপভাবে প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখিত মো: নাছির উদ্দিনের পিতা মনজুর আলম বিগত ২ বছর পূর্বে মারাগেলে পিতার বিক্রিত জমিতে মৃত্যুর পর জমি দাবী করে নানাভাবে হুমকি, ধমকি ও জবর দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু নাছির উদ্দিনের পিতার জীবদ্দশায় কোনদিন জমি দখল-বেদখল নিয়ে কথা আসেনি। ইতিপূর্বে আমাদের বসতঘরে জবর দখল ও হামলা চালালে আমাদের পক্ষের রশিদ আহমদ বাদী হয়ে লামা থানায় গত ১১ ডিসেম্বর’১৮ইং উল্লেখিত নাছির উদ্দিনসহ ৪জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৩/৪জনকে আসামী করে মামলা (নং জিআর ২/১১৭) দায়ের করেছি। ওই মামলায় বর্তমানে আসামীরা পলাতক রয়েছে। সর্বশেষ আমাদের বিরুদ্ধে জমি জবর দখল কিংবা হামলার যে কথা বলা হয়েছে তা সঠিক নয়। মূলত: উল্লেখিত গত ২৭ ফেব্রুয়ারী’১৯ইং ফাইতং পুলিশ ফাড়ির সহকারী ইনচার্জ সুজনের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে উল্লেখিত নাছির উদ্দিন গংয়ের ব্যবহৃত দা, খন্ডা, করাতসহ গাছ কাটার সরঞ্জামাদী জব্দ করে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে এসেছে। তারা মূলত আমাদের বসতবাড়ি ও বাগানের কাছ জোরপূর্বক কেটে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়েছিল। এরপূর্বেও ২৬ ফেব্রুয়ারী রাতে আমাদের অন্তত ১ ট্রাক গাছ কেটে লুট করে নিয়ে যায়। এছাড়াও উল্লেখিত ৪.৮০ একর জমি নিয়ে ফাইতং ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে ১৯নভেম্বর’১৬ইং তারিখে পরিষদ সম্মানীত চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন আমাদের পক্ষে ডিক্রি দিয়েছেন। এসব কিছু অমান্য করে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী এনে সন্ত্রাসী কায়দায় আমাদের ক্রয়কৃত জমি জবর দখলের পায়তারা চালাচ্ছে। এছাড়া উল্লেখিত সংবাদে জমি মালিক রশিদ আহমদকে চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড বড়খোলা গ্রামের বাসিন্দা পরিচয় দিলেও তিনি ফাইতং ইউনিয়নের বড়খোলা গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। তাহার জাতীয় পরিচয়পত্র/স্মার্ট কার্ড নাম্বার ৫৯৯৭৪৭৮৩৬৬। এমনকি আমাদের ক্রয় সূত্রে দখলীয় ওই আমাদের দখলে আনতে গিয়ে উপজাতীদের হাতে অপহরণের শিকার হন জমি মালিক রশিদ আহমদকে। পরে অপহরণকারীদের কবল থেকে উদ্ধার হন এবং ভবিষ্যতে আর কোন অপহরণ কাজে সম্পৃক্ত থাকবেনা মর্মে বিগত ৭ সেপ্টেম্বর’২০১৩ইং স্থানীয়দের মাধ্যমে মুচলেখাও দেন। সর্বোপুরী সংশ্লিষ্ট পত্রিকার সাংবাদিক বন্ধুদের যাছাই-বাছাই না করে সংবাদ পরিবেশন না করার জন্য আহবান জানাচ্ছি এবং প্রকাশিত উক্ত মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদে প্রশাসন ও এলাকাবাসীসহ সংশ্লিষ্ট কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি এবং সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী: রশিদ আহমদ পিতা মৃত মো: পেঠান ও আবদুর রহিম পিতা মোহাম্মদ আলী
সাং বড়মুসলিম পাড়া, ৮নং ওয়ার্ড, ৩০৬নং ফাইতং ইউনিয়ন, লামা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.