চকোরী নার্সারী মালিক ও পরিচালককে পিটিয়ে জখম, ভাংচুর ও টাকা ছিনতাই

চকরিয়া অফিস:
চকরিয়া উপজেলার বিএমচর ইউনিয়নের দিদারুল ইসলাম এমইউপি’র সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে চকোরী নার্সারী মালিক নুরুল আমিন (৬৫) ও তার পুত্র নার্সারী পরিচালক সালাহ উদ্দিন (৩২)কে মারধর করে নার্সারীতে ভাংচুর ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ১৮ ফেব্রুয়ারী বিকাল সাড়ে ৩টায় পুচ্ছালিয়াপাড়া এলাকায় তৃতীয় দফায় এ ঘটনা ঘটেছে। আহত নার্সারী মালিক ও পরিচালকের বাড়ি চকরিয়া উপজেলার পূর্ববড়ভেওলা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড উত্তর চরপাড়া গ্রামে।
আহত নার্সারী পরিচালক সালাহ উদ্দিন অভিযোগ করেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে পুচ্ছালিয়াপাড়া এলাকায় তার পিতার মালিকানাধীন চকোরী নার্সারী নামে নার্সারী ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। তার কাছ থেকে স্থানীয় বিএমচর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড পুচ্ছালিয়াপাড়া এলাকার মৃত আবদুল কাদেরের পুত্র ইউপি সদস্য দিদারুল ইসলাম (৩৮) দীর্ঘদিন ধরে অন্যায়ভাবে মাসিক ২০ হাজার টাকাসহ এককালীন ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে আসছে। ১ম দফায় গত ২ ফেব্রুয়ারী দুপুরে মেম্বার দিদারের নেতৃত্বে একদল চাঁদাবাজ তার নার্সারীতে গিয়ে হামলা চালিয়ে তালাবদ্ধ করে দেয়। এনিয়ে থানা প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করলে বিএমচরস্থ মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ অরুণ বড়–য়ার নেতৃত্বে সংগীয় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে নার্সারীর তালা খোলে দেন। ওই ঘটনার প্রতিকার পেতে নাপেতেই ২য় দফায় গত ১৭ ফেব্রুয়ারী সকাল ১১টার দিকে চাঁদার দাবীতে ইউপি সদস্য দিদারুল ইসলামের নেতৃত্বে ৫/৬জনের একদল চাঁদাবাজ দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে ফের হামলা ও ভাংচুর চালায়। হামলাকালে নার্সারী পরিচালক সালাহউদ্দিনকে হত্যার চেষ্টায় পিটিয়ে গুরুতর জখম করেন। ওই সময় তার বসতভীটার টেক্সল গাছ বিক্রির নগদ ৫০ হাজার টাকা, নার্সারীর পেপে চারা বিক্রির ৫২০০টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং ভাংচুর চালায়। সর্বশেষ ১৮ ফেব্রুয়ারী বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ৩য় দফায় হামলা চালিয়ে নার্সারী মালিক নুরুল আমিনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতে গুরুতর আহত করেছে। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার সময় নার্সারীর বিভিন্ন প্রজাতীর অন্তত ৭৫ হাজার টাকার চারাগাছসহ ঘেরা-বেড়া ভাংচুরে অন্তত ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করেছে। বর্তমানে নার্সারী ছেড়ে চলে যেতে চাঁদা দাবীসহ নানাভাবে হুমকি ধমকি অব্যাহত রেখেছে। তিনি এনিয়ে আদালতে মামলার প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানান।
উল্লেখ্যযে, বিএমচর ইউপি সদস্য দিদারুল ইসলামের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে জনৈক আবদু ছালাম বাদী হয়ে চকরিয়া আদালতে মামলা (নং সিআর ১৩৮৯/১৭) দায়ের করেছেন। ওই মামলায় আদালতে দিদার মেম্বারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেছেন। অথচ: গ্রেফতারী পরোয়ানা মাথায় নিয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ইউপি সদস্য দিদার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.