বদরখালীতে রুমির নেতৃত্বে দেহ ব্যবসা, টার্গেট ধনাঢ্য ব্যক্তি, সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ

গত ৭ ফেব্রুয়ারী’১৯ইং দৈনিক আপনকণ্ঠ, দেশ বিদেশ, কক্সবাজার বাণীসহ বিভিন্ন পত্রিকায় “বদরখালীতে রুমি’র নেতৃত্বে দেহ ব্যবসা, টার্গেট ধনাঢ্য ব্যক্তি” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমি প্রতিবাদকারী রুমেনা আক্তার (রুমি)’র দৃষ্টি গোচর হয়েছে। সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন কাল্পনিক ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। সংবাদের সাথে বাস্তবতার কোন মিলনাই। এলাকার কিছু প্রভাবশালী ও কুচক্রি মহল একটি বাস্তব ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে পরিকল্পিতভাবে এসব মিথ্যাচার করা হয়েছে। এসব মিথ্যাচারের তদন্ত করলে আমার বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবেনা। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে; বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতিতে বদরখালী সাতডালিয়া পাড়া গ্রামের আমার মরহুম পিতা হাছান আলীর (পৈত্রিক) সম্পত্তি বিরোধ মিমাংসার জন্য আবেদন করি। এরই ফাঁকে বিচারের বিষয়কে কেন্দ্র করে সমিতির প্রাঙ্গনে আমার সাথে পরিচয় হয় সমিতির ডাইরেক্টর শহিদুল ইসলাম ও ডাইরেক্টর আহমদ উল্লাহ মেম্বারের। এ সময় আহমদ উল্লাহ মেম্বার সুষ্ঠু বিচারের আশ^াস দিয়ে আমার আবেদনটি ডাইরেক্টর শহিদুল ইসলামের হাতে তুলে দেন। এ সুযোগে পরবর্তীতে সমিতির ডাইরেক্টর শহিদুল ইসলাম নিজেকে অবিবাহিতা দাবী করে নানা কৌশলে এবং প্রলোভন দিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেন। আমার সরলতার সুযোগে বিয়ের প্রলোভনে আমার বাড়িতে নিয়মিত আসা যাওয়াসহ অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে শহিদ। কিছুদিন অতিবাহিত হলেও বিয়ে করে ঘরে না তোলার কালক্ষেপন করে ডাইরেক্টর শহিদ। তার (শহিদ) অনৈতিক সম্পর্কে আমি বর্তমানে ২ মাসের অন্তঃস্বত্তা হয়ে পড়েছি। এনিয়ে সম্প্রতি বদরখালী বাজারে প্রকাশ্যে সমিতির ডাইরেক্টর লম্পট শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আমি সম্ভ্রম হারানো একজন নারী হিসেবে প্রকাশ্যে বদরখালী মানুষের কাছে বিচার দায়ের করি। বাজারের জনসম্মূখে শহিদের সাথে আমার মধ্যে টানা-হেঁছড়ার ঘটনাও ঘটেছে। ওই সময় উপস্থিত লোকজন সুষ্ঠু বিচারের আশ^াসে লম্পট শহিদকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায় এবং বদরখালী থেকে আত্মগোপনে থাকে। আমি কোন ধরণের মিথ্যার আশ্রয় গ্রহণ করেনি এবং আমি একজন মাদরাসা শিক্ষায় শিক্ষিত ছাত্রী (আলিম পাশ)। অথচ: পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে আমার নাম ব্যবহার ও বিকৃত করে আমাকে একজন দেহ ব্যবসায়ী ও পতিতা সাজানো হয়েছে। যা একজন চরিত্রবান ও ধার্মিক এবং শিক্ষিত নারীর জন্য অত্যন্ত দু:খজনক। একটি সত্য ও বাস্তব ঘটনাকে ধামা চাপা দেওয়ার জন্য আমাকে যেভাবে দেহ ব্যবসায়ী সাজানো হয়েছে, তা পুরো বদরখালীবাসী ও সমিতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতার সামিল। এমনকি উক্ত সংবাদ সমূহে আইন পরিপন্থি হয়ে আমার ছবিও ছাপানো হয়েছে। আমি একজন পিতৃহারা এতিম সন্তানের জন্য যে মিথ্যাচার করা হয়েছে, তার বিচার আমি মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে দিলাম। সর্বোপুরী আমি প্রকাশিত উক্ত মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদে প্রশাসনসহ প্রিয় বদরখালীবাসীকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি এবং সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সাথে বদরখালী সমিতির লম্পট ডাইরেক্ট প্রতারক শহিদুল ইসলাম শহিদসহ তার সহযোগিদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।
প্রতিবাদারীকারী-রুমেনা আক্তার রুমি (২০)
পিতা মৃত হাছন আলী,
সাতডালিয়া পাড়া, ৭নং ওয়ার্ড, বদরখালী,চকরিয়া,কক্সবাজার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.