চকরিয়ার বদরখালী থেকে চোরাইকৃত ১০টি মহিষের মধ্যে ৭টি মহিষ উদ্ধার করেছে পুলিশ

এম রায়হান চৌধুরী,চকরিয়া

চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড মগনামা পাড়া গ্রামে হাজী সৈয়দুল আলমের স্ত্রী মমতাজ বেগমের মালিকানাধীন ১০টি মহিষ বিচরণ এলাকা থেকে চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত ৫ ফেব্রুয়ারী বিকেলের দিকে বদরখালী ইউনিয়নের চিলখালী ক্যাড়াবইন্যাঘোনা এলাকায় মহিষ গুলো বিচরণ অবস্থায় রাখাল নুরুন্নবীকে ভয় দেখিয়ে চুরি করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজির পর বৃধবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উক্ত ১০টি মহিষ থেকে ৭টি মহিষ মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের কসাইপাড়া এলাকার কসাই মোস্তাকের বাড়িতে পাওয়া যায়।
জানাগেছে, চকরিয়া উপজেলার বদরখালীস্থ মহিষের মালিক মমতাজ বেগম বিষয়টি মহেশখালী থানা পুলিশকে অবহিত করলে থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে চোরাইকৃত ১০টি মহিষের মধ্যে ৭টি মহিষ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশের কাছে জিজ্ঞাসাবাদে কসাই মোস্তাক জানিয়েছেন, তিনি ওই ৭টি মহিষ চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের মগনামা পাড়া এলাকার মৃত আলী আহমদের পুত্র রুহুল আমিন, একই এলাকার হাজী সৈয়দুল আলমের পুত্র ইসমাইল, মহেশখালী শাপলাপুর সাতঘর পাড়া এলাকার মৃত মৌলভী এহেছান উল্লাহর পুত্র আবদুল কাদের (প্রকাশ ভাসি) মেম্বার গং এর কাছ থেকে ক্রয় করে নিয়েছেন। তিনি মহিষগুলো চকরিয়ার বদরখালী চ্যানেল থেকে চুরি করে নেওয়ার বিষয়টি জানেননা বলে পুলিশ ও মহিষ মালিক মমতাজ বেগমকে অবহিত করেন। এনিয়ে মহিষ মালিক মমতাজ বেগম অভিযুক্ত মহিষ চোরদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানান।
মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রভাষ চন্দ্র ধর জানিয়েছেন, চোরাইকৃত ১০টি মহিষের মধ্যে মহিষ মালিকের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৭টি উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি পরবর্তী যাছাই-বাছাই সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.