মৎস্যঘেরে তান্ডব ও লুটপাট, সশস্ত্র সন্ত্রাসী হামলায় আহত ২

চকরিয়া অফিস:
পেকুয়ায় মৎস্য ঘেরে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট চালিয়েছে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা। এসময় ঘেরের বেশ কিছু পরিমাণে মাছের খাবার পানিতে ভাসিয়ে দিয়েছে। তাদের বাধা দিতে গিয়ে দুই ঘের কর্মচারীকে বেধম মারধরে আহত করেছে। শনিবার (১৫আগষ্ট সন্ধ্যা ৬টার দিকে পেকুয়া সদর ইউনিয়নের হরিণাফাড়ি নতুন রাহাতজানী রমিজ আহমদ মৎস্য ও ডেইরী ফার্মে ঘটেছে এ ঘটনা। এনিয়ে ভূক্তভোগী ঘের মালিক মোহাম্মদ আজমগীর (প্রকাশ আজম)এর স্ত্রী জিন্নাতুল হাসনাত (প্রকাশ পিংকি-২৪) বাদী ১২জনের নাম উল্লেখ করে এজাহার দায়ের করেছে।
এজাহার সূত্রে জানায়, পেকুয়া সদর ইউনিয়নের হরিণাফাড়ি নতুন রাহাতজানী এলাকায় আজমের মালিকানাধীন বিএস ৬৫৫ ও ১৮ নং খতিয়ানের ৪একর বিশিষ্ট মৎস্য ঘের ও ডেইরী ফার্ম রয়েছে। স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসী ও ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে অতর্কিতভাবে ঘেরে প্রবেশ করে হামলা ও লুটপাট চালায়। এসময় ঘেরের ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৬ হর্স পাওয়ার বিশিষ্ট দুইটি পাম্প মিশিন, ১০ হাজার টাকা মূল্যের দুইটি সিলিং ফ্যান লুট করে নিয়ে যায় এবং ৫৫ হাজার টাকা মূল্যের ৫০ বস্তা মাছের খাবার পানিতে ভাসিয়ে নষ্ট করে দেয়। তাদের বাধা দিতে গিয়ে হামলায় গুরুতর আহত হয় ঘের কর্মচারী মোকাম্মেল ও মুফিজকে। এক পর্যায়ে হামলাকারীরা দুই রাউন্ড ফাকা গুলি ছুড়ে এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে এবং ঘের মালিকের উদ্দেশ্যে অকট্য ভাষায় গালি-গালাজ করেন। এঘটনায় থানায় দায়েরকৃত এজাহারে অভিযুক্ত করা হয়েছে; ইসলাম, আবদুল মালেক, বেলাল উদ্দিন, নুর হোসেন, মহিবুল্লাহ, নুরু, জাহাঙ্গীর আলম, মনু ড্রাইভার, গিয়াস উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন, রাজন, ছমিউল্লাহসহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজনকে। তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ পূর্বক সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানিয়েছেন। অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেন পেকুয়া থানার ওসি (তদন্ত) মো: মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.