নিজের নাগ কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ

চকরিয়ায় ভাংচুর ও লুটপাটের মামলার বাদীকে ফাঁসাতে নিজ ঘরে আগুন দিল আসামীরা

চকরিয়া অফিস:
চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের পঁহরচাদা বিবিরখীল গ্রামে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের মামলার বাদীকে ফাঁসানোর চেষ্টায় নিজ ঘরেই আগুন দিয়েছে মামলার অভিযুক্ত আসামীরা। গতকাল ২৩ অক্টোবর রাত ২টার দিকে ঘটেছে এ ঘটনা।
অভিযোগে জানাগেছে, বরইতলী ইউয়িনের ৭নং ওয়ার্ডের বিবিরখীল এলাকার ত্রাস ও হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামী সিরাজুল ইসলামের পুত্র মো.মোমেন ও মো.তারেক. মো.নাহাদু, হোছনে আরা ও ফিরোজা খাতুনসহ আরো ভাড়াটিয়া লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে গত ১৮ অক্টোবর সকাল ৯টার দিকে একই এলাকার মৃত মো.জয়তুনের পুত্র ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মোহাম্মদ হোসেন কোম্পানীর বাড়ীতে ঢজোর পূর্বক ঢুকে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। মারধরের এক পর্যায়ে লুট করে নিয়ে যায় ২ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকার ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি। এ ঘটনার পরদিন ১৯অক্টোবর আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত আলহাজ্ব মো. হোসেন বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় মামলা (নং ৬৪,জিআর ৬৬৪/১৮) দায়ের করেন। ওই মামলা থেকে রেহায় পেতে এবং মামলার বাদীকে নতুন করে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টায় গতকাল ২৩ অক্টোবর রাত ২টার দিকে আসামী হোসনে আরা’র ঘরে আসামীরাই নিজ হাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। ঘটনার পর থানার একদল ডিউটি পুলিশ রাতেই পরিকল্পিত অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেন। পরে এদিন সকালে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার উপপরিদর্শক মো. আবদুল বাতেন ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এসময় স্থানীয় বেশ কিছু লোকজন ও মামলার স্বাক্ষীরা জানিয়েছেন, বাদী ও স্বাক্ষীদের ফাঁসানোর পরিকল্পনায় মামলার আসামীরা বাড়ি থেকে মামলার সরিয়ে নিয়ে নিজ ঘরে আগুন দিয়েছে। অপরদিকে থানায় মামলা করায় ক্ষিপ্ত হয়ে মামলার বাদী ও স্বাক্ষীদের বিরুদ্ধে চকরিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে কথিত ফোৗজদারী অভিযোগ (সিআর ১১৩৮/১৮) দায়ের করেছে। এরপরও নতুন করে অগ্নিকান্ডের মামলার প্রস্তুতি নিয়েছে। যা অত্যন্ত দু:খজনক।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার উপপরিদর্শক মো. আবদুল বাতেন বলেন, প্রথম হামলা এবং মামলা পরবর্তী আসামীদের ঘরে অগ্নিকান্ডস্থ পরিদর্শন করেছেন। ঘটনার ক্লু উদঘাটনের চেষ্টা করছেন। তিনি অভিযুক্ত মামলার আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.