এবার সিএনজি ভাড়ার অনিয়ম বন্ধে সোচ্চার হলেন ছাত্রলীগ নেতা মুন্না চৌধুরী

এ.কে.এম রিদওয়ানুল করিমঃকক্সবাজার টু বাংলাবাজার,বাংলাবাজার টু কক্সবাজার এর সিএনজি ভাড়া ছিল ২০ টাকা কিন্তুু অসাধু সিএনজি চালকের রাম রাজত্বে কোন প্রকার ওজুহাত ছাড়াই রাতা রাতি সেই ভাড়া ৩০ টাকা হয়ে যায়। মজার ব্যাপার কেন এমন হল সেটা সবার অজানা রয়ে যায়। সেই অজানা ফাঁকে চালকরা অনিয়মকে নিয়মে পরিনত করে চলছেই। এতে যাত্রী সাধারণের মাঝে চাঁপা ক্রোভ বিরাজ করলেও অনেকটা নিরবেই সহ্য করে আসছে। কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি বললে চলে। রাত একটু বাড়লে ৩০ টাকা থেকে ৩৫, ৪০ টাকাও দাবি করে থাকে সিএনজি চালকেরা। যাত্রী সাধারণ নিরুপায় হয়ে এ ধরনের অঘোষিত অনিয়ম সহ্য করেই যাচ্ছিল। গত কাল ভাড়ার অনিয়মের বিষয়ে সোচ্চার হয়ে ছাত্রলীগ কর্মীবাহিনী নিয়ে প্রতিবাদ করতে রাস্তায় নামেন সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মুন্না চৌধুরী। মুন্না চৌধুরী অনিয়মতান্ত্রিক ভাড়া নেওয়া অযৌক্তিক বলে দাবী করেন। তাঁর নির্দেশে সদরের বিভিন্ন স্থানে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সাইনবোর্ড লাগানোর কাজ করতে দেখা গেছে সদর ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল সিকদার, ইব্রাহীম খলিল, জাহাঙ্গীর আলম জয়, আরিফুল আরফাত, শাহাদত হোসের, রবিউল আলম রবি, আফছার, সাদেক সহ সদর ও বিভিন্ন ইউনিয়ের নেতৃবৃন্দ।
মুন্না চৌধুরী এই সময় অনলাইন কক্স টিভিকে বলেন, আমি কক্সবাজার সদর উপজেলার একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে এই অনিয়মতান্ত্রিক ভাড়া নেওয়াকে আমি কখনো সমর্থন করিনা। কোন যুক্তিক কারণ ছাড়া ২০ টাকার ভাড়া যদি ৩০ টাকা হয় সেটা মেনে নেয়া যায় না। এটা চরম অন্যায় ও জনসাধারণের ক্ষতির দিক বিবেচনা করে প্রতিবাদ করতে রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছি। কেউ অন্যায় করলে সেটার প্রতিবাদ করার মত কেউ নাই মনে করলে চরম ভুল হবে। কেউ প্রতিবাদ না করলেও মুন্না চৌধুরী হাত পা গুটিয়ে নেতার পোষ্ট নিয়ে ঘরে বসে থাকতে পারে না। জনগণের কল্যাণে অনিয়ম বন্ধ করতে আমি সদা প্রস্তুত। ইতিপূর্বেও আমি জনকল্যাণে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপষহীন ভূমিকা রেখেছি। তিনি সিএনজি চালকদের উদ্যেশ্যে বলেন, আমি চালক ভাইদের কোন শত্রু নই। অযৌক্তিকহারে ভাড়া ভাড়ানো এটা জনগণের ক্ষতি। আপনারা অনিয়ম বন্ধ করুন। তিনি
গাড়ি চালক ভাইদের প্রতি অনুরোধ করে বলেন আপনাদের কোন সমস্যা থাকলে সেটা বসে সমাধান হবে কিন্তু কোন প্রকার সিদ্ধান্ত ছাড়া যাত্রীদের জিম্মী করে বাড়তি টাকা অাদায় করা এটা এক ধরনের চাঁদাবাজি। এ ধরনের চাঁদাবাজী ছাত্র সমাজ মেনে নিতে পারে না । তিনি চালক ভাইদের এধরনের অভ্যাস পরিহার করার অনুরোধ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.