ভয়াল_রক্তাক্ত_২১_আগস্ট । ইতিহাসের ভয়াবহতম গ্রেনেড হামলার ১৪তম বার্ষিকী আজ।*

★ ★ ভয়াল_রক্তাক্ত_২১_আগস্ট ।
ইতিহাসের ভয়াবহতম গ্রেনেড হামলার ১৪তম
বার্ষিকী আজ।*********
বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ( ২০০৪ সালের ২১ শে
আগষ্ট) সন্ত্রাস ও বোমা হামলার বিরুদ্ধে আওয়ামী
লীগের সমাবেশ। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন
তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বর্তমান
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সমাবেশে হাজার হাজার
মানুষের ঢল নেমেছিল। সমাবেশ শেষে
সন্ত্রাসবিরোধী মিছিল হওয়ার কথা। তাই মঞ্চ নির্মাণ না
করে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে একটি
ট্রাককে মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সমাবেশে
অন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের বক্তব্যের পর শেখ
হাসিনা বক্তব্য দিতে শুরু করেন। সময়টা ছিল বিকেল ৫টা
২২ মিনিট।এমন সময় শুরু হলো নারকীয় গ্রেনেড
হামলা। বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হতে লাগল একের পর
এক গ্রেনেড। শেখ হাসিনাকে টার্গেট করে
একের পর এক গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটায় ঘাতকরা।
গ্রেনেট হামলার পর পর গুলি করিয়া মাননীয়
নেত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যু নিশ্চিত করার সর্বাত্ব্যক
চেষ্টা করেছিল পাকিস্তানী এজেন্ট খ্যাত বিএনপি/
জামাত জোট। মুহূর্তেই রক্ত-মাংসের স্তূপে পরিণত
হয় সমাবেশস্থল। রক্তগঙ্গা বয়ে যায় এলাকাজুড়ে।
আর অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান শেখ হাসিনা।
সন্ত্রাস ও দুর্নীতির কাশিমবাজার কুটির হাওয়া
ভবনের প্রত্যক্ষ নির্দেশে, তৎকালীন
প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাসের প্রশ্রয়দাতা
# বেগম_খালেদা_জিয়া ও সন্ত্রাস- দুর্নীতির
বরপুত্র- ২১শে আগষ্টের মূল মাষ্টারমাইন্ড
# তারেক_রহমান । স্বাধীনতা বিরোধীদের প্রতিনিধি
নিজামী, মুজাহিদ এবং তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
বাবরের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে আওয়ামী
লীগকে নেতৃত্ব শূণ্য করে এদেশ থেকে
মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে চিরতরে ভুলুণ্ঠিত করার
লক্ষে দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে হত্যার
উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিল।
গ্রেনেড হামলার সময় মহান আল্লাহপাকের
অশেষ রহমত এবং আওয়ামী লীগের ত্যাগী
নেতা-কর্মীদের মানবঢাল তৈরির ফলে জননেত্রী
শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গেলেও শহীদ
হয়েছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মহিলা
বিষয়ক সম্পাদক নারী নেত্রী বেগম আইভী
রহমানসহ ২৪ জন নেতা-কর্মী।
জননেত্রী শেখ হাসিনা সহ পাঁচ শতাধিক নেতা-
কর্মী গুরুতর আহত হয়ে শরীরে স্প্লিন্টার নিয়ে
আজো মানবেতর জীবন-যাপন করছে।
আহত হয়েছিল বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক
মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ। এখনও অনেক নেতা-কর্মী
সেদিনের সেই গ্রেনেডের স্প্লিন্টারের মৃত্যু
যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। অনেক নেতা-কর্মীকে
তৎক্ষণাৎ দেশে-বিদেশে চিকিৎসা করালেও তারা
এখনো পর্যন্ত পুরোপুরি সুস্থ্য হয়ে উঠেনি।
প্রশাসনের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় সেদিনের
সেই ভয়াল দিনটি বাঙালি জাতি চিরদিন স্মরণ করবে।
২১আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় সকল শহীদগনের
বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং
জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও সালাম। # মহান_আল্লাহ সকলকে
জান্নাতবাসী করুক। (আমিন)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.