ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীদের পারাপার। দুইপাড়ের একমাত্র ভরসা এই বাঁশের সাঁকু

ওমর ফারুক সুমন, হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) থেকেঃ
প্রতিদিন পূর্ব দর্শারপার দর্শা নদীর উপর বাঁশের সাঁকু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন শিক্ষার্থীসহ দুই ইউনিয়নের কয়েক শতাধিক মানুষ। একদিকে ৪নং সদর হালুয়াঘাট অপরদিকে ৩নং কৈচাপুর ইউনিয়ন।দুইটি ইউনিয়নের সংযোগ স্থলেই অবস্থিত এই নদীটি।সাঁকুর পাশেই রয়েছে আবু হুরাইরা (রাঃ) নামে একটি কওমী মাদ্রাসা।এই মাদ্রাসার প্রায় শতেক খানি খুঁদে শিক্ষার্থীদের একমাত্র ভরসাই এই সাঁকুটি।স্থানীয়রা জানান, শিক্ষার্থীদের আপতকালীন সমস্যা দূর করার স্বার্থে আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন হাজী ও কওমী মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হাফেজ মোস্তাকিম বিল্লার উদ্যোগে স্থানীয়দের সহায়তা নিয়ে নির্মাণ করেছেন এই বাঁশের সেঁতুতি। কোনরকমে পারাপার করতে পারছেন দুইপারের মানুষ। কিন্তু বর্ষাকালে নদীতে উপচেপড়া পানি থাকায় আরও জুঁকিপূর্ণ হয়ে যায় বাঁশ দ্বারা নির্মিত এই সেঁতুটি।সেই সময়ে শিক্ষার্থীদের পারাপারের সময় দুর্ঘটনার আশংকা থাকে প্রচুর।স্থানিয় কওমী মাদ্রাসার জমিদাতা আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন হাজী বলেন, এই সাঁকুর উপর দিয়ে দুইপাড়ের মানুষ পারাপার করে। এখানে একটি স্থায়ী সেঁতু নির্মাণ করলে দুই ইউনিয়নের অনেক মানুষ সহজেই যাতায়াত করতে পারতো। তিনি দাবী করেন, এই বাঁশের অস্থায়ী সাঁকুতির স্থলে একটি ব্রীজ নির্মাণ করা হলে কওমী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্যে বেশী উপকৃত হতো। মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোস্তাকিম বিল্লাহ বলেন, মাদ্রাসার আশপাশে শিক্ষা বঞ্চিত প্রচুর ছেলে মেয়ে রয়েছে। এখানকার মানুষরা সুবিধাবঞ্চিত। সেই চিন্তা করেই এখানে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। কিন্তু এই বাঁশের সাঁকুটি বাদ দিয়ে তারস্থলে পূর্ণাঙ্গ একটি ব্রীজ নির্মাণ করলে মাদ্রাসার শিক্ষার পরিবেশ আরও সুন্দর হবে। পাশাপাশি দুইপারের মানুষের জন্যে স্থায়ী যোগাযোগ ব্যবস্থার পথও সুগম হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.