ভূমি অফিসের বিতর্কিত চেইনম্যান বিমল কান্তি চকরিয়া বদলীর তদবীর

আতংকে সেবা প্রার্থীরা…..
চকরিয়া অফিস:
চকরিয়া ভূমি অফিসের বির্তকিত চেইনম্যান হিসেবে চাকুরি করে কোটিপতি হওয়া বিমল কান্তি নাথ আবার ও চকরিয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে আসার তদবীর করছে। বর্তমানে তার কর্মস্থল কুতুবদিয়া হলেও পূর্বের উর্বর কর্মস্থল চকরিয়া ভূমি অফিসে বদলী হতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এ তদবীর চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্রে জানা গেছে, চকরিয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসের সাবেক চেইনম্যান বিমল কান্তি নাথ বিগত ১৯৯৪ইং সাল হতে ২০১৬ইং পর্যন্ত একাধারে ২২ বছর কর্মরত ছিল। ওই চেইনম্যান বিমল কান্তি নাথ চেইনম্যান হলেও নামজারী জমাভাগ থেকে শুরু করে সব কাজের কন্ট্রাক নিতেন। বিশেষ করে নীতিমালা না মেনে ৭৭-৭৮ সালে ভূমিহীন বন্দোবস্তী মামলা জেলা প্রশাসকের অনুমতি না নিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে খতিয়ান সৃজন করে বন্দোবস্তীর সুযোগ দিয়ে রাতা রাতি কোটি টাকার মালিক বনে যায়। এছাড়া প্রকৃত ভূমিহীনদের ফাইল গায়েব করে অনেক প্রভাবশালীদেরকে সরকারী সম্পত্তির মালিক বানিয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বিমল কান্তি দাশের বিরুদ্ধে।
নাম প্রকাশে না করার শর্তে ভূমি অফিসের এক কর্মচারী জানান বিমল কান্তি নাথ শুধু চেইনম্যানের চাকুরী করলেও অফিসের নানান অনিয়ম ও স্থানীয় চকরিয়া পৌরসভার বাসিন্দা হওয়ায় প্রভাব কাটিয়ে এবং দূণীতি করায় জনগণের মধ্যে আতংক ও অফিসে বির্তকিত হয়ে পড়লে এক বছর পূর্বে কুতুবদিয়া ভূমি অফিসে বদলী করে জেলা প্রশাসক। সে বির্তকত বিমল এক বছর যেতে না যেতেই পুনরায় চকরিয়া অফিসে বদলী হয়ে আসার জন্য মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে তদবীর চালিয়ে যাচ্ছে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে।
জানা যায় অনৈতিকভাবে আর্থিক লাভবান হওয়ার জন্য উর্বর অফিস হল চকরিয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস। তাই বিমল কান্তি নাথ আবারও অতীত উর্বর কর্মস্থল চকরিয়া আসতে মোটা অংকের টাকা নিয়ে মাঠে নেমেছে। বর্তমান কর্মস্থল কুতুবদিয়া হলেও বেশীর ভাগ সময় ধরর্ণা দিচ্ছেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে। তার অপতৎপরতার খবর পেয়ে চকরিয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে কর্মরত লোকজনের কান ঘুষাও চলছে। অন্যদিকে সাধারণ সেবা প্রার্থীরা বিমল আবার চকরিয়া বদলি হয়ে আসতেছে শুনে আতংকিত।
চকরিয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস যখন দালাল ও হয়রানী মুক্ত সেবা প্রদানের জন্য সবকিছু গুছিয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছে ঠিক তখনই বির্তকিত চেইনম্যান বিমলকে বদলি করে আনার চেষ্ঠায় রয়েছেন অনেকে। সেবা প্রার্থীরা যেন হয়রানী ও দূর্ণিতী মুক্তভাবে সেবা পেতে পারে সে জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে আশা প্রকাশ করছেন সচেতন মহল।
চকরিয়া উপজেলা সনাকের সভাপতি অধ্যাপক এ.কে.এম শাহাবুদ্দিন বলেন বর্তমানে চকরিয়া সহকারী কমিশনার ভূমি যে সেবা প্রদান করছেন তা অতিতের যে কোন সময়ের চেয়ে ভাল হচ্ছে। অফিসে সেবার মান উন্নত, সেবা প্রার্থীরা ও সেবা পাচ্ছেন। তাই বির্তকিত কোন ব্যক্তিকে চকরিয়া আসার সুযোগ দিয়ে এ পরিবেশ যেন বিঘœ না হয়ে সেদিকে কর্তৃপক্ষ নজর রাখবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.