সাহারবিল বিএমএস উচ্চ বিদ্যালয়ের র্নীতি ধামাচাপা দিতে কথিত মানবন্ধন

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গতকাল ৪ মে’১৮ইং দৈনিক বাকখালী, কক্সবাজার, সকালের কক্সবাজারসহ বিভিন্ন পত্রিকায় “নারী শিক্ষককে নাজেহাল ও অশালীন আচরণ! অভিযুক্তকে গ্রেফতার দাবীতে বিক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন” শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন কাল্পনিক ও উদ্যোশ্য প্রণোদিত। সংবাদের সাথে বাস্তবতার কোন মিলনাই। মূলত: অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম তার অনিময় দূর্নীতি এবং প্রশাসনিক দপ্তরের তদন্ত ধামাচাপা দিতে আমার বিরুদ্ধে এসব মিথ্যাচার করেছে। যার আদৌ কোন সত্যতা নেই। সে মূলত: স্কুলের কোমল শিক্ষার্থীদেরকে স্কুল সময়ে শিক্ষাদান থেকে বিরত রেখে, তাদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে কথিত মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করিয়েছে। যা কোন মতেই নিয়ম শৃংখলায় পড়েছে বলে এলাকাবাসী মনে করেনা। খ্যাতিমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সাহারবিল বিএমএস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম ওই পদে ২০১৩ সাল হতে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে জড়িয়ে পড়েন নানা অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও দূর্নীতিতে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোন ধরণের ভাওচার বিহীন ভর্তি ফিস, মাসিক ফিস, রেজিষ্ট্রেশন ফিসসহ অতিরিক্ত অর্থ যাচ্ছেতাই আদায় করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত করে যাচ্ছে। স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভায় আয়-ব্যয়ের হিসাব বিবরণী অনুমোদনের নিয়ম থাকলেও প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম যোগদানের পর থেকে কোন ধরণের আয়-ব্যয় অনুমোদন করেনি। মূলত: স্কুলের কমিটি না থাকা সত্তে¡ও এডহক কমিটির মাধ্যমে তিনি তৎকালীন সময়ে জালিয়তির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ নিয়েছেন। যা জনবল কাঠামো নির্দেশিকা ১৮ (১)(ঘে) এর সম্পূর্ণ পরিপন্থি। তাই আমি বাদী হয়ে অভিভাবকদের পক্ষে সচিব-মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তর ঢাকা, মহাপরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকা, চেয়ারম্যান-দূর্নীতি দমন কমিশন, চেয়ারম্যান-চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, জেলা প্রশাসক কক্সবাজার, উপপরিচালক-চট্টগ্রাম অঞ্চল, শিক্ষা অফিসার কক্সবাজার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার চকরিয়াসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২৫ এপ্রিল কক্সবাজার জেলা মাধ্যমিক শিক্ষাকর্মকর্তা ছালেহ আহমদ চৌধুরী সরে জমিনে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতাও খোজে পেয়েছেন। তদন্তের পরদিন ২৬এপ্রিল সংবাদে উল্লেখিত স্কুল শিক্ষিকা সেতারা বেগম স্কুল চলাকালীন সময়ে ৮ম শ্রেণিতে পড়–য়া আমার মেয়ে কানিজ আফরোজা সানবিনকে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সম্মূকে গলমন্ধ আচরণ করে এবং বলেযে, ক্লাসে অবশ্যই গাইড বই আনতে হবে এবং ছাত্রীর পিতাকে (আমাকে) পথে বসেছি বলে উল্লেখ করেন। আমার মেয়ে বাড়িতে এসে কান্নাজড়িত কন্ঠে এসব বিষয় খোলে বললে আমি ২৮ এপ্রিল স্কুলে গিয়ে শিক্ষিকা সেতারা বেগমের কাছ থেকে তারে মেয়ের সাথে গালমন্ধ আচরণের বিষয়ে জানার চেষ্টা করি। কিন্তু ওই বিষয়কে শিক্ষিকা সেতারা ভিন্নভাবে দেখিয়ে প্রধান শিক্ষকের পক্ষে সিপ্রীতি আদায়ের চেষ্টা করেছে। তাই প্রকাশিত উক্ত মিথ্যা সংবাদ এবং কথিত মানবন্ধনে প্রশাসন, এলাকাবাসী, অভিভাবক সংশ্লিষ্ট কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান জানাচ্ছি এবং সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী-মোহাম্মদ জুনাইদুল হক
অভিভাবক- সাহারবিল বিএমএস উচ্চ বিদ্যালয়
সাহারবিল,চকরিয়া,কক্সবাজার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.