চকরিয়ার বেতুয়াবাজারে যেকোন ব্যাংকের শাখা স্থাপনের দাবী এলাকাবাসীর

চকরিয়া অফিস:
চকরিয়া উপজেলার পূর্ববড় ভেওলা ইউনিয়ন, ভেওলা মানিকচর ইউনিয়ন ও কোনাখালী ইউনিয়নের ৩টি ওয়ার্ড, কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ৪ টি ওয়ার্ড এবং পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডসহ বিপুল সংখ্যক এলাকার লক্ষাধিক মানুষের প্রতিদিন সমাগম ঘটে বেতুয়াবাজার এলাকায়। এসব এলাকায় প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার লোকের বসতি রয়েছে। প্রতিটি ঘরে ঘরে এখন প্রবাসী রয়েছে যাদের কোটি কোটি টাকা এখন রেমিটেন্স আসছে বাংলাদেশে। আর বিদেশ থেকে স্বজনদের পাঠানো এসব টাকা প্রায় ১০ কি.মি দূরে চকরিয়া শহরের বিভিন্ন ব্যাংকে গিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় চরম অবস্থার মধ্যে অনেক সময় ও বিপদের সম্মুখীন হয়ে পাঠানো টাকা উত্তোলন করে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। এমনকি চকরিয়ায় বিভিন্ন ব্যাংকে এসব এলাকার মানুষের প্রায় শতকোটি টাকা আমানতও রয়েছে। এই অঞ্চলের সবজি এখন ঢাকা সহ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে খ্যাতি অর্জন করেছে। যার ফলে অনেক ব্যবসায়ীরা টাকা বহন করে মালামাল কিনতে আসে। এমনকি নড়দ টাকা নিয়ে অনেক সময় বিপদও ঘটে যায়। শীতকালীন সময়ে শতকোটি টাকার সবজি বিক্রি হয়। কোরবানে সময় কোটি কোটি টাকার গরু বেচাকেনা হয় যা ব্যাংক না থাকার কারণে নিরাপত্তাহীনতায় থাকে। এই এলাকায় এখন শিক্ষা বিপ্লব হয়েছে যার ফলে হাজার হাজার সন্তান দেশের বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করতেছে, কিন্তু তাদের পরিবারের জন্য টাকা পাঠানো খুব কষ্ট হয়ে যায়। হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী দেশের বিভিন্ন কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করতেছে। এসব শিক্ষার্থীদের কাছে বিকাশের মাধ্যমে তাদের জন্য টাকা পাঠানোও ব্যয়বহুল। সর্বোপুরি জনগুরুত্বপূর্ণ এ দাবীর বিষয়টি অধিক গুরুত্ব দিয়ে গ্রহণ করে ওই এলাকায় (বেতুয়াবাজার) বাংলাদেশের যেকোন একটি ব্যাংকের শাখা স্থাপনের জন্য জন্য দাবী জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, ব্যাংক না থাকার কারণে সমাজের রাষ্ট্রদোহী ব্যবসা হুন্ডি ব্যবসা খুব বেশি প্রসার ঘটছে এবং সাধারণ মানুষ সেই অবৈধ ব্যবসার দিকে দিন দিন ঝুকে পড়ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.