চকরিয়ায় বিধবার বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ

যুগান্তর ও প্রথম আলোসহ বিভিন্ন পত্রিকায়

বিগত ২২ মার্চ ২০১৮ ইং জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো, দৈনিক যুগান্তর, আমার সংবাদ, চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক পূর্বদেশ, স্থানীয় দৈনিক বাঁকখালী, দৈনিক রূপসী গ্রাম ও দৈনিক ইনানী পত্রিকায় ‘চকরিয়ায় বসত ভিটা থেকে উচ্ছেদে হামলা” ‘বিধবার বসতঘরে আগুণ দেয়ার অভিযোগ প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে’ শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদটি আমি নি¤œ স্বাক্ষরকারির দৃষ্টিগোচর হয়েছে, প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। প্রক্ষান্তরে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগকারি মহিলা সাজেদা বেগম একজন মাদক সেবনকারি, ঠগ, চোর-ডাকাতের সাথে যোগাযোগ রক্ষাকারি, বহুগামী ও মাদক ব্যবসায়ী বটে। দীর্ঘদিন ধরে সে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রমূলক হয়রানী করে আসছে সে। সমাজের ভাল ও চরিত্রবান মানুষের বিরুদ্ধে এসব কর্মকাÐ করা তার পেশা ও নেশা। পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদগুলো আমার বিরুদ্ধে আবারও গভীর ষড়ন্ত্রের একটি অংশ।
প্রকৃত বিষয় হলো-আমার বাড়ির পূর্বপাশ্বে আমার দখলীয় জায়গার উপর অবৈধভাবে ওই মহিলা এক টুকরো জমিতে একটি দু‘চালা ছোট্ট কুড়েঘর নির্মাণ করে বসবাস করতো। বিগত ১৪ অক্টোবর ২০১৭ ইং স্থানীয় সালিশ-বিচারে ওই মহিলা আমার নিকট হতে চেকের মাধ্যমে ৩,১০,০০০০/- (তিনলাখ দশ হাজার) টাকা গ্রহনপূর্বক ওই জমি আমার অনুকুলে ছেড়ে চলে যায়। এছাড়া স্থানীয় গণ্যমান্য ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সামনে আমার উক্ত জমিতে আর যাবেনা মর্মে বিগত ১৪/১০/১৭ ইং তারিখ নাদাবী ও অঙ্গীকারনামা সম্পাদন করেন। এরপরও ওই মহিলা সাজেদা বেগম দূর্লোভের বশীভুত হয়ে আবারও আমার বিরুদ্ধে চক্রান্তে লিপ্ত থাকে। এর আগেও সে আমার বিরুদ্ধে থানা ও আদালতে একাধিক মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা করে। ওইসব মামলা আমার পক্ষে রায় হয়। পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখিত বিধবার বসতঘরে আগুণ কথাটি আদো সত্য নয়, কারণ স্থানীয় সালিশকারদের সমন্বয়ে আপোষরফায় ওই মহিলা উপরোক্ত টাকার বিনিময়ে ছেড়ে চলে গেছে। এছাড়া সেখানে ঘরপুড়ানোর মত কোন ঘটনাও ঘটেনি, ঘরও ওখানে ছিলনা, মূলত একটি ষড়যন্ত্রকারী গ্রæপ আমার উপর ইর্ষান্বিত হয়ে ওই মহিলাকে ব্যবহার করে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় ও মানহানি করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। প্রকাশিত সংবাদ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তীহন। তাই প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে প্রশাসন, এলাকাবাসীসহ সংশ্লিষ্ট কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। প্রতিবাদকারি- নুরুল আলম, সাবেক চেয়ারম্যান, হারবাং ইউনিয়ন।##

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.