চকরিয়া ডুলাহাজারায় গ্রাম্য আদালতের বিচার উপেক্ষা করে ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সীমানা দেওয়াল ভাংচুর অভিযোগ


জহিরুল আলম সাগর,চকরিয়া
চকরিয়া ডুলাহাজারা হিন্দু পাড়া এলাকায় গ্রাম্য আদালতের বিচার উপেক্ষা করে এক ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সীমানা দেওয়াল ভাংচুর করার অভিযোগ উঠেছে। জানাগেছে চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের দক্ষিণ হিন্দু পাড়া এলাকায় মৃত ফনিন্দ্র লাল দের পুত্র পরিমল কান্তি দে, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে পৈত্রিক প্রাপ্ত বসতভিটাসমূহ ৫ ভাইয়ের মধ্যে সমান করে বন্টন করে দেওয়ার জন্য গত ২১/০৮/২০১৬ইং মামলা দায়ের করেন। এতে চেয়ারম্যান তাদের স্থানীয় ইউপি সদস্য সোলায়মানের উপর বসতভিটা বিরুদের মিমাংশা করে দেওয়ার জন্য দায়িত্ব অর্পন করেন। দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়ে ইউপি সদস্য সোলায়মান এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে শালিশী বৈঠকে বসে ২৫/১১/২০১৭ প্রতিজনকে ১৩.২ কড়া করে জমি ভাগ করে নেওয়ার জন্য আদেশ দেন। এতে পরিমল কান্তি দে বিচারকের আদেশ পেয়ে তার পৈত্রিক প্রাপ্ত বসতভিটার সীমানা নির্ধারণ করার জন্য দেওয়াল নির্মাণ করেন। কিন্তু পরিমল কান্তির ভাই ব্যাংক কর্মকর্তা জিতেন্দ্র কিশোর দেব ক্ষিপ্ত হয়ে পরিষদের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পরিমলের নির্মিত সীমানা দেওয়াল ভাড়াটিয়া লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে গত ২৩ মার্চ ভেঙ্গে দিয়েছে। এ ঘটনায় পার পাওয়ার লক্ষ্যে উল্টো তার দেওয়াল ও বাড়ি ভাংচুর করেছে মর্মে সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভিন্ন অপপ্রচার ছড়াচ্ছে। এ বিষয়ে জিতেন্দ্র কিশোর দেবের অপরাপর ৪ ভাই পরিমল কান্তি দে, মনোরঞ্জন দে, রনজিত কুমার দে ও নিরদ বরণ দে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন তারা ৪ ভাই বিচার মেনে নিয়েছে, অপর ভাই ব্যাংক কর্মকর্তা জিতেন্দ্র কিশোর দেব স্থানীয় পরিষদের বিচার না মেনে সীমানা দেওয়াল ভাংচুর করায় পরিমল কান্তি দে কে আদালতের আশ্রয় নেয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। উল্লেখ্য যে, ওই ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তার মা বানী প্রভা দে জীবিত থাকা অবস্থায় তার অবাধ্য ছেলে হিসাবে জিতেন্দ্র কিশোর দেব এর বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী রুজু করেন, যাহার নং- এস.এল-২০৬৩/২৪-১১-১১। এদিকে তার অভিযোগে পরিমল কান্তি দে ২০১৬ইং সালে মাকে জোর পূর্বক থানায় নিয়ে তার বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরী রুজু করেছেন বলেও মিথ্যাচার চালাচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সরজমিনে তদন্ত পূর্বক প্রকৃত অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য দাবী জানিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.