সংবাদ সম্মেলনে-শেখ আহসান উল্লাহ জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তাকে মিথ্যা মামলায় ফাসাঁনো হয়েছে


আবদুল মজিদ:
চকরিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী পার্বত্য বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ এইচ এম আহসান উল্লাহ দীর্ঘ ১মাস ৬দিন কারাভোগের পর আইনী লড়াইয়ের মাধ্যমে আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। এদিকে তাকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে এলাকার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে দুরে সরিয়ে রাখার অপকৌশল হিসেবে স্থানীয় কতিপয় কুচক্রি মহল এবং রাজনৈতিক একটি মহলের ইন্ধনে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাসানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। গতকাল সোমবার (১৯মার্চ) দুপুর ১২টায় চকরিয়া পৌর শহরের অভিজাত রেষ্টুরেন্ট ধানসিড়ি কনভেনশন হলে সাংবাদিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগ নেতা আহসান উল্লাহ।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, জীবিকার তাগিদে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে ছিলেন। এলাকার সাধারণ মানুষ ও সমাজ সংস্কারের পরিবর্তনের কথা চিন্তায় রেখে সেবার মন-মানসিকতা নিয়ে বিদেশ ছেড়ে দেশের মাটিতে ফিরে আসেন। মানুষের জন্য কল্যাণমুলক কাজ শুরু করেন। নিজ ব্যবসার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার যোগ্য উত্তরসূরী সফল প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী জননেতা বীর বাহাদুর এমপির নেতৃত্বের প্রতি অবিচল আস্থা ও বিশ্বাসে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ভাবে জড়িয়ে পড়েন।
পরবর্তীতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হই। তিনি আরোও বলেন, তার নেতৃতেই প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসে ফাইতং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগে। ফলে সৎ ও স্বচ্ছ রাজনীতির কারণে আস্থা অর্জন করেন বীর বাহাদুর এমপি’র। ফাইতং আওয়ামী লীগকে সাংগঠনিক ভাবে গতিশীলতা ফিরে আনতে তার ভুমিকা ছিল অত্যান্ত জোরদার।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরোও জানান, সে একজন পবিত্র হাফেজে কোরআন ও দাওরায়ে হাদিস পাশ একজন আলেম। ইয়াবা কি জিনিস তা পত্রপত্রিকায় দেখেছে কিন্তু বাস্তব জীবনে কোন দিন দেখেনি। কিন্তু চকরিয়া থানা পুলিশের মাধ্যমে তাকে কেন এ ধরনের একটি মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে জেলে পাঠালেন তা তার বিশ^াস হচ্ছে না। হাফেজ মাওলানা শেখ এইচ এম আহসান উল্লাহ, পিতা: হাজি গোলাম সোবহান, মহেশখালী পাড়া(ধরিয়াছড়ি) ৪নং ওয়ার্ড, ফাইতং ইউনিয়নের লামা উপজেলার বাসিন্দা। তিনি ফাইতং এলাকায় দিলোয়ার উলুম হেফজ খানা ও এতিমখানা প্রতিষ্টা করেন। ওই এলাকার ধইল্ল্যাহছড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি। গত ইউপি নির্বাচনে ফাইতং ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ায় এলাকার কিছু কুচক্রিমহল তাকে বিভিন্ন সময় মিথ্যা মামলায় আটকানোর জন্যে পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছিল। তারই ধারাবাহিকতায় গত ৪ ফেব্রæয়ারী মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে একমাস ৬দিন কারাভোগের পর আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে সাংবাদ কর্মীদের কাছে তার কারাভোগের কাহিনী বর্ণনা করেছেন। এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ¦ মাষ্টার রুহুল আমিন, মাষ্টার ছরওয়ার আলম, মো: রবিউল ইসলাম, আফজাল হোসেন জয়, ফাইতং এমইউপি ছরওয়ার আলম, সাদ্দাম হোসেন শাহিন ও জাহেদুল ইসলাম প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.