চকরিয়ায় ভাংচুর ও লুটপাট চালিয়ে ৪৭ বছরের ভোগ দখলীয় দোকানঘর জবর দখল

এম রায়হান চৌধুরী,চকরিয়া:
চকরিয়ায় পৌরসভা এলাকায় প্রকাশ্যে দিবালোকে একদল সশস্ত্র দূর্বৃত্ত সন্ত্রাসী কায়দায় দীর্ঘ ৪৭ বছরের ভোগ দখলীয় বসতঘর ও দোকানে ভাংচুর ও লুটপাট চালিয়ে জবর দখলের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল ১৫মার্চ (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার ১নম্বর ওয়ার্ডের কাজির পাড়া চৌরাস্তার মাথা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি দেখিয়ে আক্রান্ত পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে জানা গেছে, চকরিয়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ সিকদার পাড়াস্থ ফুলতলা এলাকার আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম সওদাগরের পুত্র জসিম উদ্দিন পৈত্রিক ও ওয়ারিশী সূত্রে প্রাপ্ত লক্ষ্যারচর মৌজার বি এস ৫৮৯ খতিয়ানের বি এস নম্বর ৫৮৩৩, ৫৮৩৪ দাগের ০৫ শতক জায়গায় বসতি ও দোকান ভিটা নির্মাণ করে ৪৭ বছর ধরে ভোগদখল রয়েছেন। জসিমের ভোগ দখলীয় জায়গায় পৌরসভার ১নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষ্যারচর বাজার পাড়া এলাকার মৃত হাজী আবুল হোছনের পুত্র নুরুল হোসেন সন্ত্রাসী বাহিনী ভাড়া করে জসিম উদ্দিনের দোকানের সামনে বেশ কিছু ইট স্তুপ করে। ওই ইট গুলো জসিমের জায়গা থেকে সরানোর জন্য একাধিকবার বলা স্বত্বেও জোরপূর্বক ভাবে ইট রেখে তা না সরিয়ে উল্লেখিত জায়গায় নুরুল হোসেনের জমি রয়েছে দাবী করে নুরুল হোসেনের নেতৃত্বে একদল ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। নুরুল হোসেনের পুত্র হামিদ হোছন ও মৃত আবদুল জলিলের পুত্র আবদু রাজ্জাকের নেতৃত্বে বশির আহমদের পুত্র মো: শাহেদ, মৃত আবুল নছরের পুত্র রমিজ উদ্দিন, কবির আহমদের পুত্র আবদুল মন্নান ও আবদুল হামিদ, খলিলুর রহমানের পুত্র সোহান নুর, জামাল উদ্দিনের পুত্র হান্নান, নুরুল হোসেনের পুত্র মোঃ ফারুক, তারেক সহ আরো ১২/১৪জনের সন্ত্রাসীরা ঘটনা করেছেন বলে দাবী করেন জায়গার মালিক জসিম উদ্দিন। এ জায়গার বিরোধ নিয়ে ভুক্তভোগী জসিম উদ্দিন গত ২৫ ফেব্রæয়ারি চকরিয়া থানায় ৬ জনকে অভিযুক্ত করে একটি নালিশি অভিযোগ দায়ের করে। বর্তমানে অভিযোগটি বিরোধীয় বিষয়ে চকরিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত)মিজানুর রহমানের কাছে বিচারাধীন রয়েছে। জায়গার মালিক ভুক্তভোগী উদ্দিন বলেন,বৃহস্পতিবার সকালে থানায় বিরোধীয় জায়গা নিয়ে বিচারাধীন থাকার পরও প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে ১২/১৪ জনের ভাড়াটিয়া একদল সন্ত্রাসী নিয়ে প্রকাশ্যে দিবালোকে আমার দখলীয় দোকানে ভাংচুর ও লুটপাট করে মালামাল নিয়ে যায়।এতে আমার প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি জানান।এনিয়ে ভুক্তভোগী সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.