চকরিয়ার স্বপ্নবাজ পৌর মেয়র পদ প্রার্থী জিয়াবুল

মো: নাজমুল সাঈদ সোহেলঃ চকরিয়া পৌৱসভাৱ জনপ্রিয়তার ভালোবাসার প্রতিনিধি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে শীর্ষে রয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা সফল কাউন্সিলৱ উদীয়মান তরুন জননেতা আলহাজ্ব জিয়াবুল হক।একজন মানুষের বড় সার্থকতা, জীবনের পরম পাওয়া হলো, একটি অঞ্চলের আর্থ সামাজিক কাঠামো ও রাজনৈতিক দর্শনে মানুষের মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন আনা। একই সঙ্গে উন্নয়ন সমৃদ্ধিতে পরিবর্তনের সেই ধারা ধরে রাখা। বলিষ্ঠ নেতৃত্বই সেই সফলতার মূল চাবিকাঠি। আর সেই সপ্নবাজ মানুষটির নাম কাউন্সিলর জিয়াবুুল হক।চকরিয়া পৌৱসভাৱ ৬ নং ওয়ার্ড তথা বর্তমান পৌরসভার সর্বস্তরের মাটি ও মানুষের নেতা গরিবের বন্ধু, অসহায় আর পথহারা মানুষের পথপ্রর্দশক হিসেবে বিবেচ্য ।
অসম্প্রদায়িক নেতৃত্বের গুণবলী নিয়ে সর্বক্ষেত্রে পদচারণায় স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াবুল হক মাঠে- ঘাটে, দোকানে, চকরিয়া পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের অলি-গলিতে, মসজিদ – মন্দির, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সাথে প্রতিনিয়ত কুশল বিনিময় করে নির্বাচনী মাঠ দাপিয়ে চষে বেড়াচ্ছেন। এতে সমাজের ছোট বড় মুরুব্বিদের মাঝে উৎসবমুখর আমেজ সৃষ্টিৱ মাধ্যমে নির্বাচনী মুখোধ্বনী বইতে শুরু করেছে – “সুখে-দুখে যাকে পায় তিনি আমাদের জিয়াবুল ভাই”।
তিনি ছিলেন এলাকার কন্যাদায় গ্রস্থ পিতার অভিভাবক। এলাকার একাধিক মেয়ে তিনি নিজ খরচে বিয়ে শাদী থেকে শুৱু করে ইতিপূর্বে বর্তমান করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে পৌরসভার পাশাপাশি উপজেলার ১৮টি ইউনিয়নে মানবিক সহায়তা হিসেবে গরিব, অসহায়, দরিদ্র, অস্বচ্ছল, এতিম, প্রতিবন্ধী, ক্যান্সার আক্রান্ত ও স্কুলসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মসজিদ-মাদ্রাসা এবং এতিমখানা ছাড়াও সামাজিক নানা প্রতিষ্ঠানে প্রচার বিমুখ ছাড়া অসহায়দের বাড়ি বাড়ি গিয়ে নিরবে আর্থিক সহায়তা ও অনুদান প্রদান করেছেন।পৌরসভার স্থানীয়দের মতে কাউন্সিলর জিয়াবুল হক শুধু মানবিক জনপ্রতিনিধি না যেনো এক মানবতার ফেরিওয়ালা।
তিনি ছাত্রজীবন থেকেই তৎকালীন ছাত্রলীগ,যুবলীগ,আওমীলীগের প্রতিটি কার্যক্রমে ছিলেন সবার সামনে। পদ নিয়ে কখনোও তার মাথা ব‍্যাথা ছিল না।সবসময় ভাবতেন পদের চেয়ে দল বড়।তিনি সবসময় বাস্তবতাকে বিশ্বাস করতেন বর্তমানে ও দেখা যায় তিনি যা বলেন তাই করেন। এক কথায় নগদ কথা বলেন, নগদে কাজ করে দেখিয়ে দেন। যে যাই বলুক না কেন, তিনি বাকির খাতায় কোনো কাজ বা কথা ফেলে রাখেন না। এজন্য আমজনতা গরিব-বৃদ্ধ সবাই তাকে এলাকায় ভালোবেসে।
জানা যায় ইতিপূর্বে মরণব‍্যাধি করোনা ভাইরাসে যেখানে মা,বাবা থেকে সন্তান পৃথক হয়ে যায় সেখানে জিয়াবুল জনগনের সেবক হয়ে কাজ করে গরিব আর অসহায় পরিবারকে সহযোগিতা করে ভূয়সি প্রশংসা কুড়িয়েছেন।এছাড়া ও জনগনের আস্থা আর ভালোবাসার প্রতীক হিসাবে সবাই দেখছে তাকে।করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া হতদরিদ্র পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী দিতে গিয়ে তিনি ছোট-বড় সবার সাথে চলছে সাধারণ ভাবে।যেখানেই অসহায় মানুষ সেখানেই ছুটে যান জিয়াবুল।তিনি দেখেন না কে কোন দলের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন সাধ্যমত।সবাই দলমত নির্বিশেষে ভালোবেসে যাচ্ছেন তাকে।
এমন অনন্য চলন, স্পষ্টবাদিতা, ভালোকে ভালো বলে পুরষ্কৃত করা,খারাপকে খারাপ বলে তিরষ্কার করার সৎ সাহস ধারণ করা, নিত্য গণমানুষের জন্য কল্যাণমুখী রাজনীতির চর্চা করা, নগদ সিদ্ধান্ত, নগদে সাফল্যের কারণে তিনি সর্বত্র বেশ আলোচিত।
মুলতঃ এতো আলোচনা, এতো সাফল্য একজন মানুষের জীবনে একদিনে অর্জিত হয় না। বিশেষ করে নিত্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা মুখর মাঠে। যেখানে পক্ষ-প্রতিপক্ষ দুইপক্ষেরই আতশ কাঁচের নিচে থাকতে হয় সৎ সাহসীবিদকে।
এখানেই একজন জিয়াবুল হক।
ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এপিজে আবুল কালাম বলেছিলেন ‘স্বপ্ন সেটা নয় যেটা আমরা মূলত ঘুমিয়ে দেখি।স্বপ্ন সেটাই,যেটা মানুষ কে ঘুমাতে দেয় না।
*তিনি স্বপ্ন দেখেন বেকার তরুণ যুবকদের কর্মসংস্থান করার।
*তিনি স্বপ্ন দেখেন মাদকমুক্ত পৌরসভা গড়ার।
* তিনি স্বপ্ন দেখেন ক্ষুধামুক্ত ও দারিদ্র্যতা মুক্ত পৌরসভার।
* তিনি স্বপ্ন দেখেন টেকসই উন্নয়নের চকরিয়া *পৌরসভার।
* তিনি স্বপ্ন দেখেন দূর্নীতিমুক্ত ও সিন্ডিকেটমুক্ত একটি পৌরসভার।
* তিনি স্বপ্ন দেখেন একটি পরিচ্ছন্ন ও যানজটমুক্ত পৌরসভার।
* তিনি স্বপ্ন দেখেন কৃষক তাদের ন্যায্য পাওনা পেয়ে মনের সুখে নবান্ন উৎসব করছে।
* তিনি স্বপ্ন দেখেন শিশু কিশোরদের বিনোদনের জন্য শিশুপার্ক ও খেলার মাঠ করার।
* তিনি স্বপ্ন দেখেন সামগ্রিক ভাবে অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের জীবন যাত্রার মানোন্নয়ন করার।
* তিনি স্বপ্ন দেখেন শেখ হাসিনার পুত্র সজিব জয়ের স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশের একখন্ড যেন চকরিয়া পৌরসভা হয়।যদিও তিনি নির্দিষ্ট কোন দলের প্রতিনিধিত্ব করেন না তবু্ও সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের স্বপ্ন দেখেন।আর এই স্বপ্ন গুলো তাহাকে ঘুমাতে দেয়না।
একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি আগামীৱ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাগুলো তুলে ধৱেন।
তিনি জনসেবায় এসেছেন গণমানুষের পাশে থাকতে। তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হতে। দেখা যায় বিভিন্ন সময় একা মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়ে যান পৌর শহরের অলি-গলিতে। খোঁজ খবর নেন সাধারণ মানুষ,তৃণমূলকর্মীদের।তিনি সময় নিয়ে,উদ্দেশ্য নিয়ে, লক্ষ্য ঠিক করে পরিকল্পনা করে গণমানুষের পাশে থাকতে। এক কথায় তিনি জনপ্রতিনিধি তথা বর্তমান সাংসদ আলহাজ্ব জাফর আলম এমপি পরিবারের সন্তান।অর্থ বিত্তে পূর্ব থেকেই সমৃদ্ধ জিয়াবুলের পরিবার। বেছে নিতে পারতেন আরাম-আয়েশ, ভোগ-বিলাসের জীবন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করা শেখ হাসিনার কর্মী হয়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে তার পদচারণা। জনগনের সাথে সরাসরি সম্পর্কের সেতুবন্ধন স্থাপন করেন তিনি। তিনি সবসময়েই নির্যাতনের শিকার বঞ্চিত অসহায় মানুষেৱ পাশে ছিলেন।
চকরিয়া পৌরসভার স্বতন্ত্র মেয়র পদপ্রার্থী জিয়াবুল হক বলেন, আমি জনগনের সুখে-দুখে সবসময়ই পাশে ছিলাম,আছি, থাকব।সততা ও আত্নবিশ্বাস নিয়ে আমি পথ চলতে চাই।পৌৱসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডেৱ মুৱব্বী, তরুণ ও যুব সমাজের আমন্ত্রণে ছুটে চলি অলি-গলিতে। আমার প্রাণের চেয়ে প্রিয় মুৱব্বী,তরুণ ও যুব সমাজের ভালবাসায় আমি সত্যি খুব উচ্ছ্বসিত।সুন্দর পৌরসভা বিনির্মাণে এই তরুণ যুবকরাই আমার শক্তি। ওদের সাথে নিয়েই জয়ের শেষ হাসিটা আমরাই হাসতে চাই, ওদের সাথে নিয়ে আগামির সুন্দর, মাদকমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত টেন্ডারবাজ মুক্ত,বেকারমুক্ত আধুনিক চকরিয়া পৌরসভা গড়তে চাই।
ক্ষমতা ভোগের নয়, ক্ষমতা হচ্ছে বিলিয়ে দেয়ার, বর্তমানে আমি চকরিয়া পৌরসভার সামান্য একজন কাউন্সিলর মাত্র। চকরিয়া পৌরসভা ছাড়াও পুরো চকরিয়া পেকুয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলের সকল শ্রেণী পেশার মানুষ আমাকে ভালবাসে আর এটাই হচ্ছে আমার জীবনের সবচাইতে বড় পাওয়া। মানুষের এই দোয়াও ভালবাসা নিয়ে অনেক দূর এগিয়ে যেতে চাই।
‘যদি লক্ষ্য থাকে অটুট, বিশ্বাস হৃদয়ে হবেই হবেই দেখা, দেখা হবে বিজয়ে’।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.