ক্যামেরাপারসন নির্যাতনে ৮ পুলিশের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার সুপারি

কক্স টিভি ডেস্কঃ

বরিশাল: বরিশালে ডিবিসি টেলিভিশনের ক্যামেরাপারসন সুমন হাসানকে নির্যাতনের ঘটনার সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি। আট পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বৃহস্পতিবার দুপুর তিনটায় এ সংবাদ পাওয়া যায়।

বিস্তারিত আসছে…

বরিশালে কীর্তনখোলা নদী থেকে ছয় লাশ উদ্ধার

বরিশাল: বরিশালে কীর্তনখোলা নদী থেকে ছয়জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তারা দুইদিন আগে কীর্তনখোলা নদীতে ট্রলারডুবিতে নিহত বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শুক্রবার বিকালে চরমোনাই এলাকা থেকে এই মরদেহ গুলো উদ্ধার করা হয়। গত মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে চরমোনাই লঞ্চঘাট এলাকায় মুসল্লিবাহী ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের বরিশাল নদী স্টেশনের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। ওইসময় নিখোঁজের প্রকৃত সংখ্যা জানা সম্ভব হয়নি।

বরিশাল নৌ-থানার সূত্রে জানা যায়, ট্রলারটি চরবাড়িয়ার প্রান্ত থেকে কীর্তনখোলা নদী পাড়ি দিয়ে চরমোনাই লঞ্চঘাটে দিকে আসে। এ সময় ঘাটে থাকা কীর্তনখোলা ১০ লঞ্চের পেছনে নোঙর করে চরমোনাই মাহফিলগামী মুসল্লিদের তুলতে গিয়ে ট্রলারটি কাত হয়ে যায়। পেছনে থাকা অন্য একটি ট্রলার ধাক্কা দিলে সেটি ডুবে যায়।

উদ্ধার মৃতরা হলেন – মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ি উপজেলার পাচনখোলা এলাকার মৃত খায়ের উদ্দিন ঢালীর পুত্র বাদশা ঢালী (৬৫), গাজীপুর সদরের আব্দুল মালেকের পুত্র ইফতেখার ইসলাম (১০), আমানউল্লাহ দেওয়ানের পুত্র শাহ আলী (২৯), একই জেলার ভবানীপুর এলাকার জাকির হোসেন দিলদার (৩০), ময়মনসিংহের মকবুল হোসেনের পুত্র দেলোয়ার হোসেন (২৮) ও লক্ষীপুরের হেদায়েত হোসেনের পুত্র আবদুল কুদ্দুস (২৪)।

বরিশাল সদর নৌ-থানা পুলিশের এসআই সোহাগ ফকির জানান, বুধবার যেখানে ট্রলার ডুবেছিলো তার পাশ থেকেই ছয়টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে বরিশাল নৌ বন্দর পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বেল্লাল হোসেন জানান, গত ৭ মার্চ মাহফিলের উদ্দেশে বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া এলাকা থেকে যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার চরমোনাইর উদ্দেশে ছেড়ে যায়। চরমোনাই ঘাটে ভিড়ানোর পূর্বে কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের পেছনে নোঙ্গর করে আরও যাত্রী তোলার সময় ট্রলারটি কাত হয়ে যায়। এ সময় পেছনে থাকা আরেকটি ট্রলার দুর্ঘটনাকবলিত ট্রলারটিকে ধাক্কা দিলে তা ডুবে যায়। এতে কয়েকজন নিখোঁজ ছিলেন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও নৌ-পুলিশের সদস্যরা তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় নদীর তলদেশে ট্রলারটির সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর বরিশাল ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে বড় বড় লঞ্চ সরিয়ে উদ্ধার অভিযান চালানো হলেও কাউকে উদ্ধার করতে পারেনি।

শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সন্ধ্যার পর উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.