আসন্ন পশ্চিম বড় ভেওলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সাবেক ছাত্রনেতা এড. রবিউল এহেছান লিটনকে নৌকার মাঝি হিসাবে দেখতে চায় এলাকাবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক, চকরিয়া

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চকরিয়া উপজেলার মাতামুহুরি সাংগঠনিক থানার পশ্চিম বড় ভেওলা ইউনিয়নে তৃণমূল আওয়ামী লীগের নৌকার মনোনয়নে এগিয়ে এডভোকেট রবিউল এহেছান লিটন।

এলাকায় সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে রয়েছে তার গভীর সম্পর্ক। তৃণমূল আওয়ামী লীগ থেকে শুরু করে উপজেলা ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের সাথে রয়েছে গভীর সর্ম্পক।

অত্র ইউনিয়নের স্থানীয় ভোটারদের সাথে কথা বললে তারা বলেন, আমরা চাই একজন যোগ্যপ্রার্থী, সৎ ও কর্মঠ এবং ভাল মানুষ যার মাধ্যমে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন সাধিত হবে। মাদক ও নেশা মুক্ত সমাজ গঠিত হবে। সন্ত্রাসমুক্ত, আধুনিক ইউনিয়ন গঠন হবে। পরিচ্ছন্ন বাজার, ড্রেনেজ ব্যবস্থাসহ মানুষের আস্থার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হবে।পরিচ্ছন্ন রাজনীতির মাধ্যামে তরুন এবং প্রবীণ ভোটারের কাছে খুবই জনপ্রিয়। এলাকাবাসী চায় এই ধরনের জনপ্রিয় ব্যাক্তির হাতে উঠুক নৌকা প্রতীক।

তিনি তৃণমূল থেকে ছাত্ররাজনীতি সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি পশ্চিম বড় ভেওলা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক, চকরিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক কার্যকরী সদস্য, মাতামুহুরি সাংগঠনিক থানা শাখার প্রতিষ্টাতা আহবায়ক,কক্সবাজার জেলা শাখার সাবেক গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ও সদ্য কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।
বর্তমানে জেলা যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। এছাড়াও ২০১৮ সালে কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ হতে সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত কার্যনির্বাহী সদস্য ছিলেন।

চট্টগ্রাম প্রিমিয়াম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এল. এল. বি
(অনার্স) এল. এল. এম পাশ করে ২০১৪ সালে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আইন পেশায় যোগ দেন।তিনি সততা ও ন্যায়ের সাথে এলাকার সুখে দুখে মানুষের পাশে থেকে সহযোগীতা করে আসছেন।২০১৮ সালে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে মহেশখালী ৪৩ জন জলদস্যু আত্নসমার্পনকৃত মাললায় দায়িত্ব ও ওনার হাতে। বর্তমানে দরবেশ কাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

করোনাকালীন সময়ে নিজ ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১৫০০ পরিবারে নিজ হাতে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ এবং ঘরে ঘরে স্প্রে করেছিলেন ,তাছাড়াও বন্যায় কবলিত অসহায় মানুষের পাশে খাদ্য সমাগ্রী নিয়ে বারবার হাজির হয়েছেন। এছাড়াও গত নির্বাচনে ছিলেন নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী। সেই হিসাবে সংগ্রহ করেছিলেন মনোনয়ন ফরম। দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে মনোনয়ন ফরম ও প্রত্যাহার করেছিলেন।তাই এবার তিনি দলের প্রতি শতভাগ আস্থা দলের মনোনয়ন তিনিই পাবেন। ২০০৪ সালে তৎকালীন বিরুধীদলীয় নেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার উপর গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদ করায় চারদলীয়জোট সরকারের নির্দেশে দ্রুত আইনের মামলায় তার দুই চাচাসহ ১৯ জনকে আসামী করা হয়েছিল।তার পিতা হাজী আলী আকবর সওদাগর তাদেরকে মামলার জামিন পাওয়া থেকে শুরু করে খালাস পর্যন্ত তার অবদান এলাকাবাসী এখনে ভূলে নি। তার ছোট ভাই ডাঃ রকিবুল হোসেন এমবিবিএস পাস করে বিনামূল্য এলাকায় চিকিৎসা সেবা দিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন। তাই তিনি আসন্ন ইউপি নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন পেয়ে চমক দেখাতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.