চকরিয়ার ফুলছড়ি কালুসিকদার ঘোনায় স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণে মহিলাসহ গুলিবিদ্ধ ১২

স্টাফ রিপোর্টার.
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার খুটাথালী ইউনিয়নের ফুলছড়ি এলাকায় কালুসিকদারের মৎস্যঘেরে স্থানীয় সন্ত্রাসী শাহজাহান বাহিনীর শাহজাহানের নেতৃত্বে একদল স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী দিনে দুপুরে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে দিবালোকে মৎস্যঘেরে বেপরোয়া গুলি বর্ষণ করে। এতে গুলিবিদ্ধ হয় মহিলাসহ ১২ জন। সন্ত্রাসীরা ৩ মহিলাকে অপহরণপূর্বক অমানিবক নির্যাতন করে ছেড়ে দিয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। লুটরাজ করে দুলক্ষাধিক টাকা রকমারি মাছ নিয়ে গেছে। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
ঘেরের মালিক আকতার আহমদ বলেন- চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ফুলছড়ি এলাকা কালুসিকদার মৎস্যঘের খ্যাত ঘেরটি পৈত্রিক ও খরিদা সুত্রে মালিক। সন সন খাজনাদি পরিশোধপূর্বক তারা বংশ পরস্পরায় ওই ঘেরটি ভোগ দখলে রয়েছে। কিন্তু পথিমধ্যে কক্সবাজার সদর ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে ভূমিদস্যূ শাহাজাহান বাহিনীর শাহজাহান, লাল মিন্টু, ইউসুফ জালাল, জাফর আলমের এর লুলোভ দৃষ্টি পড়ে ওই ঘেরের উপর। তারা একটি ভূয়া দলিল সৃজন করে ওই ঘের জবরদখল করতে চেষ্টা চালায় কয়েকবার। তার ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার বিকেলে সন্ত্রাসী শাহজাহান শাহজাহান, লাল মিন্টু, ইউসুফ জালাল ও জাফর আলমের নেতৃত্বে ৪০/৫০জনের একদল স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী ওই মৎস্য ঘেরে স্বশস্ত্র হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা নির্মম ও বেপরোয়াভাবে গুলিবর্ষণ করে। গুলিবর্ষণের ফলে ঘেরে পূর্ব থেকে অবস্থান করা পুরুষ ও মহিলা সদস্যরা সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণের মুখে পড়ে। এতে অন্তত মহিলাসহ ১২ জন গুলিবিদ্ধ হয়।
সন্ত্রাসীরা এসময় রশিদা বেগম, এলমুন্নাহার ও তাহেরাকে অপহরণ করে। ৩ ঘন্টাপর ধরে অমানবিক নির্যাতন করার পর কয়েকটি অলিখিত নন জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে সাক্ষর নিয়ে ছেড়ে দেয়। এদের মধ্যে- খুটাখালী বাঁশকাটা গ্রামের আকতারের স্ত্রী বানু(৫১), মোরশেদা বেগম(৪০), খুটাখালী পূর্ব নয়াপাড়ার মৃত কলিমউল্লাহর স্ত্রী রশিদা বেগম (৩৮), এলমুন্নাহার(৪০), আনোয়ারা বেগম(৪০), তাহেরা (৪০), কালু সিকদারের পুত্র নুরুল কবির(৩৫), ফজুল করিমের পুত্র আখতার আহমদ (৫০), মৃত কালুসিকদারের পুত্র নুরুচ্ছফা (৪৫)। চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সাংবাদিকদের বলেন, তিনি ঘটনা শুনেছেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েনে। ঘটনার সত্যতা পেলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.