চকরিয়ায় নতুন মসজিদ নিমার্ণে উদ্যোক্তা ও সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে আদালতে ফের মিথ্যা মামলা!

এসএম হান্নান শাহ/জহিরুল আলম সাগর,চকরিয়া:
চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ছাইরাখালী দক্ষিন নামার পাড়া এলাকায় পাশ্ববর্তী মসজিদ না থাকায় ধর্মপ্রাণ স্থানীয় মুসল্লীদের ইবাদত বন্দেগি ও নামাজ কালাম পড়ার সুবিধার্থে মসজিদ এবং নুরানী বিভাগ, এতিমখানা ও কবরস্থানসহ নতুন করে ক্ষুদ্র পরিসরে একটি কমপ্লেক্স নির্মাণ করায় থানা ও আদালতে একের পর এক হয়রানী ও ষড়যন্ত্র মুলক মিথ্যা মামলা দিয়ে যাচ্ছে কতিপয় ভূমিদস্যু দখলবাজরা। এমনকি মিথ্যা মামলা থেকে বাদ যায়নি মসজিদ ও নুরানী মাদরাসার উদ্যোক্ত, সহকারীকারী ও আইনজীবী সহকারীসহ এলাকার নিরীহ লোকজন। একের পর এক মিথ্যা মামলা করে চলছেন একই এলাকার প্রভাবশালী প্রতিপক্ষ জনৈক রশিদ আহমদ ও সামশুল আলম গং। তাদের ইশারায় ও নির্দেশে স্থানীয় মৃত ছৈয়দ নুর সওদাগরের ছেলে ফিরোজ আহমদ বাদী হয়ে গত ২৫আগষ্ট’২০ ইং বিজ্ঞ চকরিয়ার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে নতুন করে ষড়যন্ত্র মুলক আরো একটি মামলা (ফৌজদারী দরখাস্ত) দায়ের করেন। এতে বিবাদী করা হয়েছে ৫ জনকে। যার মামলা নং- সি.আর ৫৯৬/২০২০ ইং / ধারা ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৩৭৯/৩৮২/৫০৬/৩৪ দঃবিঃ।
সম্প্রতি এসব সন্ত্রাসী হামলার কথিত অভিযোগ তুলে ষড়যন্ত্র মুলক সাজানো অভিযোগে মিথ্যা এ মামলা করেন। নিরহ আসামীরা হলেন, কৃষক জামাল উদ্দীন, কোর্টের আইনজীবী সহকারী বখতিয়ার মোঃ হেলাল উদ্দীন, কৃষক নুরুল আবছার, শহিদুল ইসলাম লিটন ও নজরুল ইসলাম গং। তাদের উপর শুধুমাত্র স্থানীয়ভাবে নতুন একটি জামে মসজিদ ও নুরানী বিভাগসহ এতিমখানা নিমার্ণ করাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসী ও দখলবাজরা একের পর এক এসব মিথ্যা ও সাজানো মামলা থানা এবং বিজ্ঞ আদালতে করে চলছেন। জনৈক রশিদ আহমদ ও সামশুল আলম, ফিরোজ আহমদ একই গংয়ের দায়ের করা মামলা মিথ্যা প্রমানিত হয়। তাদের হয়রানী মুলক মামলায় এখন দেউলিয়া হয়ে আজ পথে বসার মত উপক্রম হয়ে পড়েছে এলাকার একাধিক কৃষক পরিবার। মামলার আর্জিতে যে ঘটনা দেখানো হয়েছে ইতিপূর্বে এধরণের কোন ঘটনাই ওই এলাকায় ঘটেনি। যা স্থানীয় শতশত লোকজন প্রকাশ্যে স্বাক্ষী দেবেন।
এদিকে স্থানীয় সাংবাদিকরা ওই এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় মুসল্লি সমাজ ও প্রত্যক্ষদর্শী লোক জনের সাথে কথা বলে জানাযায়, একই এলাকার মৃত ফজল করিমের ছেলে জামাল উদ্দীন গং স্থানীয় সমাজের মানুষের ইবাদত বন্দেগী ও নামাজ পড়ার সুবিধার্থে বাইতুর রহমান নামের একটি জামে মসজিদ ও দারুল কোরআন নুরানী বিভাগ ও এতিম খানা-মাদ্রাসাসহ কবরস্থান নির্মাণ করেন। কিন্তু মামলাবাজ ফিরোজ আহমদ তাদের বিরুদ্ধে ফের মিথ্যা মামলা দিয়ে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে উঠে পড়ে লেগে হয়রানী করে যাচ্ছে। থানা ও আদালতে তাদের এসব অভিযোগ একের পর এক মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় জামাল উদ্দীন গংয়ের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ কোথাও সত্য হিসেবে প্রমানিত হয়নি বলে জানাগেছে। তাই এসব প্রতারণামূলক কর্মকান্ড পরিহার করে মসজিদ-মাদরাসার পক্ষে অবস্থান নেওয়ার জন্য আহবান জানান। এনিয়ে তদন্ত পুর্বক আইনগত সহযোগিতা চেয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকষর্ণ পূর্বক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মুসল্লি সমাজ ও এলাকাবাসী।##

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.