কৈয়ারবিলে ব্যবহৃত পুকুরে বাড়ির টয়লেটের বর্জ্য সংবাদটি সঠিক নয়, দাবী স্থানীয়দের

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:
“এ কেমন মনুষত্ব ? চকরিয়ার কৈয়ারবিলে পূর্বশত্রুতার জের, ব্যবহৃত পুকুরে বাড়ির টয়লেটের বর্জ্য, ক্ষোভে স্থানীয়রা” শিরোনামে গত ৯আগষ্ট’২০ইং থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবু, অনলাইন মিডিয়া ও দৈনিক হিমছড়ি এবং দৈনিক আমাদের কক্সবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে দ্বিমত পোষন করে প্রতিবাদ সহকারে বক্তব্য দিয়েছেন প্রতিবেশিসহ স্থানীয়রা। চকরিয়ার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ছোয়ালিয়াপাড়া গ্রামের প্রকাশিত উক্ত সংবাদটি বাস্তবতা বিবর্জিত, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও মানহানীকর বলেও দাবী করেন। লিখিত বিবৃতিতে পুকুরের ওই জমির পৈত্রিক সূত্রে প্রকৃত ওয়ারিশদার মরহুম আবুল হাসেম সওদাগরের পুত্র যথাক্রমে কামাল হোসেন, জামাল হোসেন, নিয়াজুল ইসলাম ও তাজুল ইসলাম, মরহুম বজরুস মেহেরের পুত্র শফিউল আলম ও গিয়াস উদ্দিন এবং প্রবাসী মৌলানা কবির হোসেনের স্ত্রী শায়েরা জন্নাত রুহীসহ উল্লেখিত পরিবারের প্রতিবেশি ও স্থানীয়রা প্রতিবাদ লিপিতে জানিয়েছেন, ঘটনাটি হচ্ছে সম্পূর্ণ ভিন্ন। মূল ঘটনা হচ্ছে; কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ছোয়ালিয়াপাড়ার ওই পুকুরটির আয়তন প্রায় ১০শতক। কিন্তু পুকুরের ওয়ারিশ রয়েছে অন্তত ২৬জন। তন্মধ্যে সংবাদে উল্লেখিত শাহানা আক্তারের স্বামী শাহ আলমও ওয়ারিশি সূত্রে এক কড়ার কিছু বেশি পুকুরের জমি পাবেন। তারা জানিয়েছেন, মরহুম আবুল হাসেম সওদাগরের পুত্র গং পুকুর অংশ পাবেন প্রায় দেড়া করে এবং বসতভীটার জমি পাবেন প্রতিজন ১৪কড়া করে জমি। তন্মধ্যে বড় ভাই নুর মোহাম্মদ থেকে ছোট ভাই জামাল ও কামাল ১০ কড়া জমি ক্রয় করেছেন ফলে দুইজনের ২৮কড়া জমির সাথে আরো ১০কড়া জমি যুক্ত হবে। অপরদিকে শাহ আলমের ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত ১৪কড়ার সাথে বাহিরের একজন ওয়ারিশ থেকে আরো ১০ কড়া জমি ক্রয় করেছেন। ফলে তার মোট ২৪ কড়া জমির স্থলে বর্তমানে দখলে রয়েছেন প্রায় ৩০ কড়া জমি। আমরা দৃঢ়তার সহীত বলতে চাই যে, দীর্ঘ ২০ বছরের অধিক সময় ধরে আমাদের পৈত্রিক মালিকানাধীন ৩০কড়া বিশিষ্ট পরিত্যক্ত এই পুকুরটি এককভাবে শাহ আলমের পরিবারের দাবী করলেও তাতে তার জমি রয়েছে মাত্র ১কড়ার কিছু বেশি জমি। এছাড়াও পুকুরটি বর্তমানে পরিত্যাক্ত ও ব্যবহার অনুপযোগি। এরপরও আমরা ২৬জন ওয়ারিশদের মধ্যে প্রায় ২৫জনের পরিবারের যৌথ সিদ্ধান্তে বাড়ির ব্যবহারের ময়লা পানিগুলো পরিত্যক্ত ওই পুকুরে পাইপ লাইন দিয়ে ফেলা হয়। কিন্তু এখানে যে, বাড়ির টয়লেটের বর্জ্য ফেলার এবং চরম দূর্গন্ধের যে কথা বলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ অবান্তর ও কাল্পনিক। যা কেউ সরে জমিনে আসলেই আসল সত্যতা পাওয়া যাবে। মূলত: আমাদের ২৬জন ওয়ারিশের ওই পুকুরটি এককভাবে ভোগ করতে না পেরে আমাদের বিরুদ্ধে মানক্ষুন্নকর এসব মিথ্যা সংবাদটি প্রচার করা হয়েছে। এছাড়াও সংবাদে উল্লেখিত শাহ আলমের বাড়িও পুকুরের অন্তত ১০০/১৫০গজ দুরে। কিন্তু আমরা পুকুরটি এককভাবে তাদেরকে ব্যবহার করতে না দেওয়ায় উল্লেখিত শাহ আলমের শ্যালক আমাদেরকে ফোন করে নানাভাবে হুমকি ধমকি দিয়ে যাচ্ছে। যা আমরা মোবাইলের সীমের মাধ্যমে ভয়েস রেকর্ড করে রাখছি। তাই প্রকাশিত উক্ত মিথ্যা সংবাদ নিয়ে প্রশাসন, সাংবাদিক বন্ধু ও এলাকাবাসীসহ সংশ্লিষ্ট কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি এবং সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী- জামাল হোসেন, নজরুল ইসলাম ও তাজুল ইসলাম গং, সর্বপিতা আবুল হোসেন, সাং ছোয়ালিয়াপাড়া, ৯নং ওয়ার্ড, কৈয়ারবিল ইউনিয়ন, চকরিয়া, কক্সবাজার।##

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.