কুতুবদিয়ার সেই লবণ চাষী রাজিয়া পাচ্ছেন সরকারী ঘরসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা

এ.কে.এম রিদওয়ানুল করিম ঃ জনসেবায় কুতুবদিয়া উপজেলা প্রশাসনের মানবিক কর্ম যেন থেমে নেই। ইউএনওর দেয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে লবণ চাষী রাজিয়া পাচ্ছেন সরকারী ঘরসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা।

১৬ জুলাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সেই লবণ শ্রমিক রাজিয়া বেগমের হাতে তুলে দিলাম “বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতা বহি”ঃ
শিরোনামে একটি স্ট্যাটাস দেন কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জিয়াউল হক মীর।
অসহায় রাজিয়া বেগমের পরিবারে নানা সুযোগ সুবিধা প্রদানের বিষয়ে আলোকপাত করা হয় স্ট্যাটাসে। এটি মূহুর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। কুতুবদিয়াববাসী সহ সচেতন মহলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে উঠে ইউএনও জিয়াউল হক মীর। স্ট্যাটাসটি পাঠক মহলে হুবহু তুলে ধরা হল ঃ
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
আজ (১৬/০৭/২০২০) সেই অসহায় লবণ শ্রমিক রাজিয়া বেগমের হাতে তুলে দিলাম “বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতা বহি”। এসময় অসহায় পরিবারটিকে জন্য কিছু খাদ্য সহায়তা ও প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, রাজিয়া বেগম নামে একজন অসহায় নারী লবণ শ্রমিকের অভাব অনটনের কথা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানতে পেরে উনাকে কিছু সহায়তা করার পর গত ১৭ মে ২০২০ তারিখে “লবণ শ্রমিক রাজিয়া বেগমের মেয়ে উম্মে হাবিবার পড়ালেখার যাবতীয় খরচ সহ তার পরিবারের অন্যান্য দায়িত্ব নিলাম” শিরোনামে একটি ফেইসবুক পোস্ট দিয়েছিলাম। সেই পোস্টে উনাদেরকে যে কথাগুলো দিয়েছিলাম তা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করছি। ইতোমধ্যে যা করেছিঃ
১.তার পরিবারে প্রতিনিয়ত খাদ্য সামগ্রী প্রদান করছি।
২. তাকে রোজার ঈদে ঈদ উপহার হিসেবে কিছু নগদ টাকা প্রদান করেছি।
৩. যাকাত ফান্ড থেকে টাকা প্রদান করেছি।
৪. গৃহহীন এই পরিবারের জন্য সরকারিভাবে একটা গৃহ নিমাণের ব্যবস্থা করেছি।
৫. তার মেয়ে উম্মে হাবিবার পড়ালেখার খরচের ব্যবস্থা করেছি।
৬. তাকে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতা বহি প্রদান করেছি।
৭. ভিজিডি’র চাল পাওয়ার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করেছি।
তাকে দেওয়া সবগুলো কথা দ্রুত বাস্তবায়নের চেষ্টা করছি। যা কথা দিয়েছি তার চেয়ে বেশী কিছু দেওয়ার আশা রাখছি।
জনসেবায় প্রশাসন…….

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.