অসহায়, কর্মহীন, অনাহারী মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন এ্যাকশনস টুয়ার্ডস হিউম্যানিটি

এ.কে. এম রিদওয়ানুল করিম ঃ কক্সবাজার জেলার ঐতিহ্যবাহী সমাজ সেবামূলক অরাজনৈতিক সংস্থা এ্যাকশনস টুয়ার্ডস হিউম্যানিটি। সংস্থাটির তহবিল থেকে করোনা সংকট মোকাবেলায় শহরের ১ নং ওয়ার্ডের সমিতি পাড়ায় ১ শত ৫০ অসহায়, কর্মহীন, অনাহারী পরিবারের মাঝে ২ সপ্তাহের ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও শহরের কলাতলীস্থ আলহাজ্ব আবু তাহের মাতবর রোকেয়া সুলতানা মাদ্রাসার সুবিধা বঞ্চিত ৪০ শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে ত্রান সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। প্রতি পরিবারের জন্য খাবার চাউল , ডাল , সয়াবিন তেল , আলু, পিয়াজ রকমারি খাবার সামগ্রী অসহায় গরীব মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ফাতেমা আনকিছ ডেইজী,কক্সবাজার নারী উদ্যোক্তা সমিতির সভাপতি নয়ন সেলিনা, জনসেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোজাহিদুল ইসলামসহ সমাজ ও গণমাধ্যম কর্মীরা। উপস্থিত নেতৃবৃন্দরা সামাজিক নিরাপত্তা বজায় রেখে খাবার সামগ্রী সংস্থা কতৃক বাছাইকৃত অসহায় মানুষের হাতে তুলে দেন।
সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ফাতেমা আনকিছ ডেইজী বলেন, কাউকে খুশি কিংবা লোক দেখানোর জন্য আমরা মানুষকে সাহায্য করছি তা নয়, আমরা মূলত মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং মানুষের দূর্যোগ মোকাবেলার জন্য সেবার উদ্দোশ্যে এসব বিতরণ করছি। সংস্থাটি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শিক্ষা, সমাজসেবামূলক ও নারী উন্নয়নমূলক অনেকগুলো কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে যেকোন দূর্যোগ মোকাবেলায় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে সরকারের পাশাপাশি মানবকল্যানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছিলেন ।
এরই ধারাবাহিকতায় অন্যান্য বারের ন্যায় এবারও বৈশ্বিক ও জাতীয় দূর্যোগ করোনা সংকট মোকাবেলায় বিভিন্ন ধাপে ধাপে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। এর আগেও সচেতনমূলক লিফলেট, সেনিটাইজার,সাবান, মাস্ক বিতরণ করা হয়েছিল বলেও জানান তিনি। তিনি ত্রাণ বিতরণ কার্যক্ষম অব্যাহত রাখবেন এবং আসন্ন ঈদুল আজহার পূর্বে আরো ব্যাপক পরিসরে ত্রাণ কার্যক্রম চালানো হবে বলে জানান।

তিনি অসহায়ের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দিতে পারায় আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন। তিনি স্বেচ্ছায় সমাজের বিত্তবান, দানশীল ব্যক্তিদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়ারও আহবান জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.