চকরিয়ায় বনবিভাগের জমি দখল করে আ.লীগ নেতার মার্কেট নির্মাণ

মোহাম্মদ উল্লাহ,চকরিয়া:

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের চকরিয়ার নলবিলা ফরেস্ট রিজার্ভ বনভূমি দখল করে মার্কেট নির্মানের অভিযোগ উঠেছে রেজাউল করিম সেলিম নামে এক আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে। করোনাভাইরাসের কারনে সরকারী ছুটির ফাঁকে এসব নির্মাণ কাজ চালাচ্ছেন তিনি। রেজাউল করিম লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি।

সরেজিমন দেখা যায়, কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের নলবিলাা ফরেস্ট বিটের আওতায় বার আউলিয়া নগর এলাকায় রিজার্ভ পাহাড় কেটে ১৪টি দোকান নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন সেলিম। এলাকাবাসীর অভিযোগ এভাবে সরকারী পাহাড় কেটে দোকান নির্মাণ করার ফলে পরিবেশের ক্ষতির পাশাপাশি সরকারী বনবিভাগের অর্ধকোটি টাকা মূল্যের জমি বেহাত হয়ে যাবে।
নাম না প্রকাশে এলাকার একজন বাসিন্দা বলেন, রেজাউল করিম সেলিম আওয়ামীলীগ নেতা তাই তার বিরুদ্ধে এসব ব্যাপারে কেউ কোন ধরনের প্রতিবাদ করতে ভয় পায়। সরকারী বনভূমি দখল করে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

এ ব্যাপারে রেজাউল করিম সেলিম বলেন, সরকারী রিজার্ভ বনভূমি হলেও আমার দখলীয় জায়গায় দোকান নির্মাণ করছি।

ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, বনবিভাগের রিজার্ভ বনভূমিতে কেউ স্থাপনা নির্মাণ করতে পারেনা। ঘটনার তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

চকরিয়ায় বনবিভাগের জমি দখল করে আ.লীগ নেতার মার্কেট নির্মাণ

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের চকরিয়ার নলবিলা ফরেস্ট রিজার্ভ বনভূমি দখল করে মার্কেট নির্মানের অভিযোগ উঠেছে রেজাউল করিম সেলিম নামে এক আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে। করোনাভাইরাসের কারনে সরকারী ছুটির ফাঁকে এসব নির্মাণ কাজ চালাচ্ছেন তিনি। রেজাউল করিম লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি।

সরেজিমন দেখা যায়, কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের নলবিলাা ফরেস্ট বিটের আওতায় বার আউলিয়া নগর এলাকায় রিজার্ভ পাহাড় কেটে ১৪টি দোকান নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন সেলিম। এলাকাবাসীর অভিযোগ এভাবে সরকারী পাহাড় কেটে দোকান নির্মাণ করার ফলে পরিবেশের ক্ষতির পাশাপাশি সরকারী বনবিভাগের অর্ধকোটি টাকা মূল্যের জমি বেহাত হয়ে যাবে।
নাম না প্রকাশে এলাকার একজন বাসিন্দা বলেন, রেজাউল করিম সেলিম আওয়ামীলীগ নেতা তাই তার বিরুদ্ধে এসব ব্যাপারে কেউ কোন ধরনের প্রতিবাদ করতে ভয় পায়। সরকারী বনভূমি দখল করে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

এ ব্যাপারে রেজাউল করিম সেলিম বলেন, সরকারী রিজার্ভ বনভূমি হলেও আমার দখলীয় জায়গায় দোকান নির্মাণ করছি।

ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, বনবিভাগের রিজার্ভ বনভূমিতে কেউ স্থাপনা নির্মাণ করতে পারেনা। ঘটনার তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.