বেসরকারী ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কিন্ডারগার্টেন শিক্ষক শিক্ষিকার জন্য বিশেষ প্রণোদনার আবেদন।

বেসরকারী ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কিন্ডারগার্টেন শিক্ষক শিক্ষিকার জন্য বিশেষ প্রণোদনার আবেদন।

শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড। আর সেই শিক্ষার অন্যতম এবং প্রধানতম বাহন হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দ। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে বিভিন্ন সরকারী, বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলতে এমপিওভুক্ত এবং কিছু ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বিশেষত এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো একপ্রকার সরকারী কাঠামোতে পরিচালিত হয়। আর কিছু কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (ননএমপিও) বিভিন্ন সংস্থা বা এনজিও দ্বারা পরিচালিত হয়। কিন্তু এর বাইরেও শহরে গ্রামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অনেক অনেক কিন্ডারগার্টেন আদলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। যেগুলো যুগের সাথে তাল মিলিয়ে শিক্ষার মানোন্নয়ে রাখছে গুরুত্বপূর্ণ অবদান। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেশিরভাগই মূলত একক ব্যক্তি মালিকানাধীন বা সম্মিলিত ব্যক্তি মালিকানাধীন কিংবা কোন ট্রাস্টের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এসব প্রতিষ্ঠান মূলত শিক্ষার্থীদের বেতন কাঠামোর উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়। এবং এই বেতনের একাংশ থেকেই শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দকে প্রতিমাসে একটা সম্মানী দেওয়া হয় যা একেবারেই অপ্রতুল। তারপরও এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দ দুএকটা টিউশনি অথবা নিজস্ব কিংবা সম্মিলিত ব্যবস্থাপনায় কিছু শিক্ষার্থীদের পড়িয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। মোটামুটি ভালই কাটে তাদের জীবন। কারও কাছে হাত পাততে হয়না। কিন্তু বর্তমানে একপ্রকার দূর্যোগপূর্নময় অবস্থায় মহামারী করোনা মোকাবেলায় সরকার মে মাস পর্যন্ত সকল প্রকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষনা করেছে। এবং ইতিমধ্যে বিভিন্ন এলাকা লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছে। এই করুন অবস্থায় এসব শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দ পড়েছে বেকায়দায়। সরকারী কিংবা এমপিওভুক্ত শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দের জন্য সরকারের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধাসহ বিশেষ প্রণোদনার ব্যবস্থা থাকলেও এ কঠিনতম পরিস্থিতিতে বেসরকারী ননএমপিও কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কিন্ডারগার্টেনভূক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এসব শিক্ষক শিক্ষিকার জন্য নেই কোন সুযোগ সুবিধাদি। এমনকি এই দূর্যোগপূর্ন অবকাশকালীন সময়ের মাসিক যে সম্মানি তাও পাবে কিনা এটা নিয়েও সংশয় রয়েছে। তাই এই দূর্যোগপূর্ণ মুহুর্তে সম্মানিত এ সকল শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দের সাহায্যার্থে বিশেষ প্রণোদনার ব্যবস্থা করার জন্য সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
লেখকঃ
মাহবুবুল হক
সহকারী শিক্ষক,
দারুল কুতুব একাডেমী,
কুতুবদিয়া পাড়া, কক্সবাজার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.