কুতুবদিয়ায় মোবাইলে এসএমএস পেয়ে খাবার প্রেরণ

কুতুবদিয়ায় মোবাইলে এসএমএস পেয়ে খাবার প্রেরণ
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,


এ.কে.এম রিদওয়ানুল করিম ঃ
এবার মোবাইলে এসএমএস পেয়ে অনাহারী পরিবারে খাবার প্রেরণ করেছেন কুতুবদিয়ার ত্রাণকর্তা।
কুতুবদিয়ায় গত ১৯ দিন ধরে কেউ না খেয়ে অাছেন, এমন খবর পাওয়া মাত্র খাবার পৌছে দিচ্ছেন মানবতাবাদী সৎ, মেধাবী, কর্মঠ অফিসার। তিনি কখনো বাড়ি বাড়ি গিয়ে খবর নিচ্ছেন, কখনও নিজের গাড়িতে করে খাবার বিতরণ, অাবার কখনও কল পেলেই ছুটে যাচ্ছেন অসহায়, অনাহারী, ঘরবন্ধী কর্মহীন মানুষের পাশে। হকার, প্রতিবন্ধী, কেটে খাওয়া দিন মজুর এমনকি মধ্যবিত্ত পরিবারেও ত্রাণ পৌছে দিয়েছেন। দ্বীপবাসী তাকে কখনো অসহায় মানুষের বন্ধু, কখনো মানবতাবাদী অফিসার, কখনো ত্রাণকর্তা,অাবার কখনো মানবতার ফেরিওয়ালা উপাধিতে ভূষিত করেছেন। পেয়েছেন ব্যাপক প্রশংসা। এতক্ষণ যার জয়গান তিনি অার কেউ নন, কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউল হক মীর।
ইউএনও’ টাইম লাইন থেকে হুবহুঃ
গত পরশু ১৩/০৪/২০ রাত ১২ টার পর আমার অফিসিয়াল মোবাইলে একটি মেসেজ আসে-
“স্যার, আমি অমুক (ছদ্মনাম)। অনেকদিন বেকার থাকার পর পুঁজি স্বল্পতার কারণে মাত্র ৫০০০ টাকার ভেটেরিনারি ঔষধ সামগ্রী নিয়ে অমুক মার্কেটস্হ অমুক পাড়া-অমুক কানেকটিং রোডে একটি ছোট্ট দোকান খুলি ২৫/০৩/২০২০ তারিখে। ২৬ তারিখ থেকে দেশ চলে যায় লক ডাউনে। ২৬ তারিখ থেকে আজ পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে মাত্র ৮০০ টাকা! আমার ছোট্ট একটা বাচ্চা আছে। তার জন্যও খাবার কিনতে পারিনি। আমার বাবাও হোম কোয়ারান্টাইনে চট্টগ্রামে। তিনি একজন অটো চালক। আমাদের পরিবারের আয়ের পথ একদম বন্ধ। আমাদের সাহায্য পাওয়া খুব প্রয়োজন। দয়ার হাত বাড়ালে উপকৃত হবো আমরা। যোগাযোগ নাম্বার ……….”
এসএমএস টা পেয়ে উনার এই অসহায়ত্বের কথা জানতে পেরে সঙ্গে সঙ্গেই উনাকে রিপ্লাই দিই সকালে আপনার বাড়িতে খাবার পৌঁছে যাবে। সকালে আমার এক স্টাফকে উনার ফোন নম্বর দিয়ে উনার জন্য খাবার পাঠিয়ে দিই। এমন অসহায় মানুষের ঘরে খাবার সহায়তা পৌঁছানোকে কুতুবদিয়া উপজেলা প্রশাসন দায়িত্ব মনে করে। ঘরে থাকুন, নিরাপদ থাকুন। আপনাদের পাশে আছি উপজেলা প্রশাসন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.