চকরিয়ায় ১০ হাজার পরিবারে খাবার দিয়ে আলোচনায় কাউন্সিলর জিয়াবুল হক

 

এ.কে.এম রিদওয়ানুল করিম :

করোনা ভাইরাস মহামারীতে চকরিয়া পৌরসভার ১০ হাজার অভূক্ত পরিবারে কাউন্সিলর জিয়াবুলের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে সর্বত্র আলোচনায় পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের জনপ্রিয় কাউন্সিলর জিয়াবুল হক। তাঁকে নিয়ে নিয়মিত  প্রশংসা ও গর্ব  করছেন পৌরবাসী।

তিনি কাউন্সিলর  জিয়াবুল হক একমাত্র ব্যক্তি নিজ ওয়ার্ডের অসহায় মানুষকে খাদ্য সহায়তা দেয়ার পাশাপাশি পৌরসভার আরো ৮ টি ওয়ার্ডের অসহায় কর্মহীন হত দরিদ্র ও মধ্যবৃত্ত  ১০ হাজার পরিবারে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করেছেন। যার কারণে তাকে ঘিরে চলছে সর্বত্র প্রশংসামূলক আলোচনা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন যেখানে জিয়াবুল হক মাত্র একটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সেখানে তিনি নিজ ওয়ার্ডের মানুষের পাশে যেমন খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন ঠিক তেমনিভাবে দিয়েছেন আরো ৮ টি ওয়ার্ডে। অন্যান্য ওয়ার্ডে ত্রান দেয়ার দায়িত্ব পৌরসভার মেয়র সাহেবের। কাউন্সিলর জিয়াবুল হক কার কি দায়িত্ব না দেখে ক্ষুধার্থ অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এমন দৃষ্টান্ত আর কেউ চকরিয়ায় দেখাতে পারে এমন নেতা চোখে পড়েনি।

জিয়াবুল হক এমন একজন পরোপকারী ব্যক্তি যার মন কাঁদে অসহায় মানুষের জন্য। এমন মানুষকে পাশে পেয়ে অনেকে ত্রাণ গ্রহণকালে কান্না করে বলেছেন ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সোলতানা বেগম। আপনার কারণে

আমরা চুলায় আগুন দিতে পারছি। কেউ আমাদের খবর রাখেনি। আপনার মত মানুষ যদি আমাদের ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হতেন আমরা আজ এত কষ্ট পেতাম না।  আল্লাহ আপনাকে অনেক বড় করুক। এভাবে দোয়া করছেন সাধারণ কেটে খাওয়া অসহায় মানুষগুলো।

বিশ্বব্যাপী করোনার মহামারির কারণে কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার কর্মহীন হয়ে পড়া শ্রমজীবী, মধ্যবিত্ত, দরিদ্র, অসহায় ও কেটে খাওয়া গৃহবন্ধী পরিবারের যখন খাদ্য সংকট দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে, সেই অবস্থায় চকরিয়ার একটি পৌরসভা এবং ১৮টি ইউনিয়নে সরকারিভাবে অতি দরিদ্র পরিবারগুলোকে খাদ্যসহায়তা দেওয়া হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারে অপ্রতুল।

এই পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত সহায়তার ওপরই অনেকটা নির্ভর করতে হচ্ছে নিম্ন-মধ্যবিত্ত এসব পরিবারগুলোকে।
এদিকে চকরিয়া পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৮টি ওয়ার্ডের প্রত্যেকটিতে ১০০০ পরিবার করে এবং নিজের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ২০০০ পরিবারসহ সর্বমোট ১০ হাজার পরিবারের মাঝে ইতিমধ্যে খাদ্য সহায়তা সামগ্রী নিজস্ব লোক ও কর্মী বাহিনী দিয়ে পৌঁছে দিয়েছেন পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সফল কাউন্সিলর জিয়াবুল হক।
নির্দিষ্ট একটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হলেও তিনি পুরো পৌরসভায় খাদ্যসহায়তা দিয়ে সবার দৃষ্টি কেড়েছেন এবং সর্বত্রে প্রশংসিত হয়েছেন।

তাঁর এই খাদ্যসহায়তা বিতরণও করা হয়েছে ব্যতিক্রমী উপায়ে। কোনো জনসমাগম ছাড়াই একেবারে নীরবে কর্মীর মাধ্যমে পৌরসভার প্রতিটি পাড়ায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এই খাদ্যসহায়তা।
বিনিময়ে খাদ্যসহায়তা হস্তান্তরের সময় কাউন্সিলর জিয়াবুল হক নিজে একটি ছবিও ধারণ করেননি।

সচেতন অনেক ব্যক্তি জানান, চকরিয়ায় এমন অনেক বিত্তশালী ব্যক্তি এবং জনপ্রতিনিধি রয়েছেন যারা চাইলে শ্রমজীবী, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে পারতেন। করোনার মহামারির পরিস্থিতিতে তারাও রয়েছেন একেবারে নিশ্চুপ। এই অবস্থায় কাউন্সিলর জিয়াবুল পৌরসভার ১০ হাজার পরিবারকে খাদ্যসহায়তা দিয়ে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সাথে লোকদের মধ্য এসব তথ্য নিশ্চিত করেন ২নং ওয়ার্ডের বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ সাহাব উদ্দিন খাজা, ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রিয়াদ উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রশিদ, ১নং ওয়ার্ডের বিশিষ্ট সমাজসেবক ও চট্টগ্রাম পলি হাসপাতালের পরিচালক মিজানুর রহমান সোহেল রান, ৬নং ওয়ার্ডের তরুণ সমাজসেবক মিজানুর রহমান ও হাসান আল বশরী, ৩নং ওয়ার্ডে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেফায়েতুল কবির বাপ্পি, ৪নং ওয়ার্ডে পৌর মৎস্যজীবীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল হামিদ প্রমূখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.