চকরিয়ায় ১২শত পরিবারে কাউন্সিলর রেজাউলের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

চকরিয়ায় ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১২শত পরিবারের মাঝে কাউন্সিলর রেজাউলের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

এ.কে. এম রিদওয়ানুল করিমঃ কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভায় অঘোষিত ভাবে চলছে লকডাউন। এসময়ে খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষের কাজকর্ম সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ রয়েছে। সরকারের ঘোষিত আদেশ মেনে ঘরে বসে গৃহবন্দী হয়ে সময় কাটাচ্ছেন তারা। দোকানপাট বন্ধের পাশাপাশি বন্ধ রয়েছে সড়ক যোগাযোগও। যার কারণে অসহায়, নিম্নমধ্যবিত্ত ও দরিদ্র মানুষগুলো পড়েছে চরম আর্থিক সংকটে। এ দুর্যোগের মুহুর্তে মানবিক সহায়তা হিসেবে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে টানা চারদিন ধরে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ১হাজার দুইশত অসহায়, হতদরিদ্র ও কর্মহীন মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন চকরিয়া পৌরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও পৌরসভা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক তরুণ জননেতা মো.রেজাউল করিম।
বৃহস্পতিবার (২এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে চকরিয়া পৌরসভার ২নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমের টানা চতুর্থ দিনেও কাউন্সিলর রেজাউল করিম সর্বশেষ হিন্দু পাড়ায় প্রতি ঘরে ঘরে তিনি খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।
খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে চকরিয়া পৌরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও পৌরসভা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক তরুণ জননেতা মো.রেজাউল করিম বলেন , করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের প্রভাবে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে শ্রমজীবি পরিবার গুলো বেশি দুর্ভোগে আছে। দুর্যোগের এই মুর্হুতে শ্রমজীবি এসব মানুষের পাশে দাঁড়াতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। নিজের সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে এলাকার জনপ্রতিনিধি হিসেবে জাতীয় দুর্যোগ মুহুর্তে মানবিক সহায়তা হিসেবে এলাকার কর্মহীন ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে এসে দাঁড়ানো।
তিনি আরও বলেন, আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে পৌরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ডের প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা কর্মহীন, দরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও শ্রমজীবি ১হাজার ২শত পরিবারের ঘরে ঘরে গিয়ে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চাল, ডাল, আলু, তেলসহ খাদ্য সামগ্রীর প্যাকেট সবার হাতে তুলে দিয়েছি। আমি অতীতেও বিভিন্ন দুর্যোগের সময় মানবতার সেবায় সর্বদা জনগণের পাশে নিয়োজিত ছিলাম, আছি এবং আগামীতেও তাদের পাশে থাকার চেষ্ঠা অব্যাহত থাকবে। তবে এ দুর্যোগ মুহুর্তে যার যার অবস্থান থেকে জাতীয় এ মহামারীর প্রাদুর্ভাবে তাদের পাশে দাঁড়ানোটা এখন বিত্তবানসহ সকলের নৈতিক দায়িত্ব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.