চকরিয়ায় সাঈদীর ত্রাণ পেল ২ হাজার পরিবার

এ.কে.এম রিদওয়ানুল করিম ঃ  করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের প্রভাবে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বিভিন্ন জনপদে ঘরবন্দি থাকা মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও কর্মহীন শ্রমজীবি মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি আলহাজ ফজলুল করিম সাঈদী।  বিগত পাঁচদিন ধরে সমগ্র চকরিয়া উপজেলার হত দরিদ্রদের মাঝে   ত্রাণ নিয়ে অলিতে গলিতে ছুটছেন।  তিনি উপজেলার, পৌরসভা, ডুলাহাজারা, খুটাখালী, বিএমচর ইউনিয়নে কর্মহীন শ্রমজীবি মানুষের হাতে এবং চকরিয়া পৌরসভার হালকাকারা এলাকায় বিভিন্ন পরিবারের হাতে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনার আলোকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের আশঙ্কায় থাকা কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এলাকার অসচ্ছ্বল ও দরিদ্র পরিবারের মানুষের জন্য ব্যক্তিগত উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ ফজলুল করিম সাঈদী।

গত ২৭ মার্চ শুক্রবার থেকে প্রতিদিন উপজেলার তিন শতাধিক মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে আসছেন। সর্বশেষ ১ এপ্রিল বুধবার তিনি উপজেলার ডুলাহাজারা, খুটাখালী, বিএমচর ইউনিয়নে কর্মহীন শ্রমজীবি মানুষের হাতে এবং চকরিয়া পৌরসভার হালকাকারা এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের হাতে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন।

সাঈদী জানান, করোনা ভাইরাসের প্রভাবের কারণে সরকারি নির্দেশে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভা এলাকায় বেশিরভাগ শ্রমিকজীবি মানুষ ঘরবন্দি হয়ে থাকায় বেশি বেকায়দায় পড়েছেন। অপরদিকে কাঁচামাল ও মুদির দোকান ছাড়া উপজেলার প্রত্যন্ত জনপদের দোকান-পাটগুলোও বন্ধ রয়েছে। এই অবস্থায় বন্ধ হয়ে গেছে দিনমজুর, রিক্সাচালক, ইজিবাইক টমটম চালকসহ হতদরিদ্র মানুষগুলোর রুটি-রুজির ব্যবস্থা।

মুলত করোনা ভাইরাসের এই পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে বাড়িতে বন্দি হয়ে পড়া মানুষ যাতে খাবার নিয়ে কোন সংকটে না পড়েন সেজন্য বিগত পাঁচ দিন ধরে প্রতিদিন ৩০০ পরিবারের কাছে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী হিসেবে তিন কেজি চাল, দুই কেজি আটা ও এক কেজি করে মসুর ডাল বিতরণের মধ্য দিয়ে উপজেলার অসহায় অনাহারীর মাঝে পৌছিয়ে দিচ্ছি। তিনি তাঁর ব্যক্তিগত ও সরকারী পাওনা ত্রাণ সামগ্রী উপজেলার ১৮ টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে প্রায় ২ হাজার পরিবারে হাজার বিতরণ করেছেন বলে এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন। তিনি অারো জানান এভাবে ত্রাণ কার্যক্রম দূর্যোগ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত রাখবেন। কেউ থাক বা না থাক  জনগণের পাশে থাকা তাঁর নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করে দায়িত্ব ভোধ থেকে সদা মানবসেবা করে যেতে চান তিনি।

সাঈদীর ব্যাপক ত্রান কার্যক্রমে উপকার ভোগীরা খুবই খুশি হচ্ছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ত্রাণ গ্রহণকারী বলেন সুখে দুঃখে অামরা সবসময়  চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদীকে কাছে পাই। এমন দূর্দিনে অন্য কোন নেতাকে মাঠে দেখছি না। সাঈদি ভাই মাত্র উপজেলা অাওয়ামীলীগের সহ সভাপতি। তাঁর উপরের কোন নেতাকে মাঠে ঘাটে না পেয়ে অামরা হতাশ। সাঈদী ভাই একমাত্র নেতা যিনি সর্ব প্রথম ঝঁকি নিয়ে ত্রাণ বিতরণের মাধ্যমে  মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.