চকরিয়ায় গরীবের বন্ধু কাউন্সিলর জিয়াবুলের ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত, বাদ পড়ছে না মধ্যবিত্তরাও

 

এ.কে.এম রিদওয়ানুল করিমঃ

চকরিয়া পৌরসভার কাউন্সিলর জিয়াবুল হকের নাম এখন মানুষের মুখে মুখে। তিনি করোনা সংকট মোকাবেলায়  বিগত কয়েকদিন ধরে অসহায় গরীব, মেহনতি, অনাহারী মানুষের মাঝে নিজের সহায় সম্বল যা অাছে তা উজাড় করে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন। অসহায় গরীব মানুষের পাশে রীতিমত যে কোন বিপদে অাপদে সবচেয়ে অাগ বাড়িয়ে সহযোগিতা করেন বলে তিনি এক বাক্যে গরীবের বন্ধু খ্যাতি পেয়েছেন। জিয়াবুল হক শুধু গরীবের বন্ধু নয় তার সহযোগিতা ভালবাসা থেকে বঞ্চিত নয় মধ্যবিত্ত শ্রেণির পরিবারগুলোও। যে সব মধ্যবিত্ত পরিবার মান ইজ্জত নষ্ট হওয়ার ভয়ে নিরবে কষ্ট পাচ্ছে, কারো কাছে হাত পাতে না। এ সময়ে তারাই বেশি ভোগান্তিতে অাছে বিবেচনা করে, তাদেরই মাঝে রাতের অন্ধকারে নিজ কাঁদে করে ত্রাণ পৌছে দিচ্ছেন কাউন্সিলর জিয়াবুল। তিনি নিজ দায়িত্ববোধ থেকেই এসব করছেন। কোন ফোকাস হওয়ার জন্য নয়। খ্যাতিমান জিয়াবুল বিগত কয়দিনে  মানুষের ভালবাসার জোয়ারে  ভাসছে। চকরিয়ায় তিনি একমাত্র টাইমলাইনে ভাসছেন নিজ কর্মগুণে।

  • সারা বিশ্ব যখন নভেল করোনা ভাইরাসে আতংকে গৃহবন্দী জীবন যাপন করছেন তদ্রুপ করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রভাবের কারণে চকরিয়া পৌরসভা এলাকায় গৃহবন্দি হয়ে থাকায় বেশি বেকায়দায় পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষগুলো। ঠিক তখনি করোনা ভাইরাস সংক্রমণ আশঙ্কায় গৃহবন্দি থাকা গরীব মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছেন চকরিয়া পৌর পরিষদের সর্বজনপ্রিয় কাউন্সিলর আলহাজ্ব জিয়াবুল হক।

কাঁচামাল ও মুদির দোকান ছাড়া পৌরশহরের বাণিজ্যিক কেন্দ্র চিরিঙ্গার শতাধিক বিপনী বিতানসহ উপজেলার প্রত্যন্ত জনপদের দোকান-পাটগুলোও বন্ধ রয়েছে গত কয়েকদিন ধরে। এই অবস্থায় একেবারে ফাঁকা হয়ে গেছে সড়কগুলো।

বন্ধ হয়ে গেছে দিনমজুর, রিক্সাচালক, ইজিবাইক টমটম চালকসহ হতদরিদ্র মানুষগুলোর রুটি-রুজির ব্যবস্থা। মুলত করোনা ভাইরাসের এই পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে বাড়িতে বন্দি হয়ে পড়া মানুষ যাতে খাবার নিয়ে কোন সংকটে না পড়েন সেজন্য এখন থেকে প্রতিদিন ৩০০ পরিবারের কাছে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী হিসেবে পাঁচ কেজি চাল, দুই কেজি আটা ও এক কেজি করে মসুর ডাল বিতরণের উদ্যেগ নিয়েছেন কাউন্সিলর জিয়াবুল। ফোকাস করার লক্ষে নয় প্রকৃত মানব সেবায় আত্মনিয়ােজিত হয়ে জনস্বার্থে দ্বিতীয় দিনের মত নিজস্ব কর্মিবাহিনীর মাধ্যমে প্রাণঘাতি নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণে অসহায় ও কর্মহীন মানুষের মাঝে নিজস্ব অর্থায়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন চকরিয়া পৌরসভার আগামীর কর্ণধার বিশিষ্ট সমাজসেবক মানবতার অগ্রদূত আলহাজ্ব জিয়াবুল হক।

৩০ ও ৩১ মার্চ টানা দুইদিন চকরিয়া পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নিজস্ব অর্থায়নে ১,২ ও ৩ নাম্বার ওয়ার্ডে প্রায় ৯০০ পরিবারকে ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে নিজস্ব কর্মিবাহিনীর মাধ্যমে ত্রাণ বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার মধ্য দিয়ে ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেন।
ত্রাণ বিতরণ প্রসংঙ্গে আলহাজ্ব জিয়াবুল হক বলেন, “ভোগে সুখ নয়“ত্যাগই প্রকৃত সুখ” এ প্রতিপাদ্যকে আমি দৃঢ়চিত্ত্বে বিশ্বাস করি।জনপ্রতিনিধি হিসেবে নয় একজন সেবক হিসেবে অসহায় ও শ্রমজীবী মানুষের দুঃখ দূর্ভোগের বিষয়টি মানবতার দৃষ্টিকোণ ভেবে দূর্যোগপূর্ণ সময়ে জনগণের পাশে থাকা আমার নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করি।ক্ষুদ্র পরিসরে নিজস্ব অর্থায়নে ১,২ ও ৩ নাম্বার ওয়ার্ডে প্রায় ৯০০ পরিবারকে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ত্রাণ বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিতে পেরে স্বস্থিবোধ করছি।

পর্যায়ক্রমে সমগ্র পৌরসভার নিন্ম আয়ের পরিবার গুলোতে স্বল্প পরিসরে ত্রাণ পৌঁছে দেয়া হবে বলে জানান জনসেবায় নিয়োজিত জেলার শ্রেষ্ঠ কাউন্সিলর ও সর্বজনপ্রিয় এ ব্যক্তি। তিনি আরো বলেন,আমি আমার সাধ্যমতো যা দিচ্ছি তা হয়তো আপনাদের জন্য খুব সামান্য। কিন্তু ভালবাসার কমতি নেই আমার প্রিয় পৌরবাসির জন্য।সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন ভবিষ্যতে যেন আমি আরো বড় পরিসরে এগিয়ে আসতে পারি আপনাদের সুখে-দুঃখে। তাছাড়া হোম কোয়ারেন্টাইন মেনে চলে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান। সেই সাথে দেশ এবং দশের স্বার্থে চলমান করোনা সংক্রমণে অসহায় ও কর্মহীন মানুষের পাশে বিত্তবানদের পাশে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

এদিকে এলাকার জনসাধারণ ত্রাণ হাতে উচ্ছাস্বিত হয়ে অনেক বয়োবৃদ্ধ মানুষ প্রাণখুলে দুহাত তুলে মহান আল্লার প্রতি শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন। ১ নং ওয়ার্ডের দিনমজু আব্দুল গফুর জানান সুখে-দুুখে যখনি চাই জিয়াবুল ভাইকে পায়। আমার এলাকার অনেক নেতা ও জনপ্রতিনিধির কাছে সহজে আবদার পর্যন্ত রাখেন না অথচ তিনি ভিন্ন ওয়ার্ডের একজন কাউন্সিলর হয়েও কখনো আমাদের আবদার এড়িয়ে যাননি তাঁহার সাধ্যমত আমাদেরমত গরীবের চাহিদা পূরণ করতে প্রাণপণ চেষ্টা করেন। তাছাড়া কোনদিন খালিহাতে ফিরিয়ে দেননি। আল্লাহ্ জিয়াবুল ভাইয়ের হায়ত বাড়িয়ে দেন যেন আমাদের মত গরীব অসহায়দের আশ্রয়স্থল যেন অটুট থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.