প্রকাশিত প্রতিবাদের প্রতিবাদ

গত ৮মার্চ দৈনিক ইনানী ও আমাদের কক্সবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবাদটি আমাদের দৃষ্টি গোচর হয়েছে। এরপূর্বে বিভিন্ন পত্রিকায় চকরিয়ার কোনাখালী প্রবাহমান শুয়রমরা খালে লবণাক্ত পানি, বোরো চাষ হয়নি ৫ হাজার একর জমি, ক্ষোভে কৃষকরা শিরোনামে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন হয়েছে। উক্ত সংবাদে নিজেদের আড়াল করতে এলাকার নিরীহ ও দীর্ঘদিনের ভোগ দখলীয় জমি মালিকদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নানাভাবে মিথ্যাচার করা হয়েছে। প্রকৃত পক্ষে চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের সিকদারপাড়া এলাকা দিয়ে প্রবাহমান শুয়রমরা খাল জবর দখলে নিতে এসকটি সংঘবদ্ধ প্রতারক ও জালিয়ত চক্র দখলবাজ আমির হামজার পুত্র আবদুল মালেক ও আবদুল মজিদের নেতৃত্বে জবর দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে এবং এসব ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। উক্ত বদ্ধজলমহাল (খাল) নিয়ে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক বরাবরে তৎকালীন কোনাখালী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের পূর্বকোনাখালী সিকদারপাড়া গ্রামের মৃত আবদুছ ছালামের পুত্র সাহাব উদ্দিনসহ অপরাপর ৩০৫জন ভূক্তভোগী লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে ২০১৭সনের ১৩মার্চ তৎকালীন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো: আলী হোসেন তাঁর কার্যালয়ের স্মারক নং ০৫.২০.২২০০.১০১.১০.১৫.১৪.৩২৩ মূলে চকরিয়া উপজেলাস্থ বদ্ধ জলমহাল সমূহের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ পূর্বক মৎস্যজীবীদের জীবিকা নির্বাহের পথ সুগম ও জলাবদ্ধতা নিরসনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেন। উক্ত আদেশের পর চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে উক্ত খালটি উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে পূণরায় মাছ চাষের চেষ্টা করা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় স্থানীয় কোনাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব দিদারুল হক সিকদার পূণরায় বদ্ধজলমহাল দখলদারদের হাত থেকে জনসাধারণের জন্য ফের উন্মুক্ত করে দেন। এমনকি স্থানীয় বিক্ষোদ্ধ শতশত জনসাধারণ ২০১৭সনের ১৪মার্চ ওই এলাকায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এরপর পরদিন ১৫মার্চ উক্ত স্থানীয় ও আঞ্চলিক বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদও প্রচারিত হয়েছে। মূলত: কোনাখালীর ঘোনা মৌজার আরএস ১৫০/১ খতিয়ান খাস, আরএস দাগ নং ৬৬৪, জমির শ্রেণি খাল, পানি নিস্কাশনের জন্য ব্যবহার্য্য, যা আর সীটে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। একইভাবে ভূল জরিপের বিএস খতিয়ান নং ৬৪, বিএস দাগ নং ১৪৬৯, জমির শ্রেণি খাল এবং পানি নিস্কাশনের জন্য ব্যবহার্য্য মোট জমির পরিমাণ ৯.৫৭ একর। কিন্তু প্রতিবাদে ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদে উল্লেখিত দখলবাজ আমির হামজার পুত্র আবদুল মালেক ও আবদুল মজিদের নেতৃত্বে খাল শ্রেণির জমি জবর দখল চেষ্টা অব্যাহত রাখায় উক্ত দখলবাজদের কাছ থেকে প্রায় ৪একর খাল শ্রেণির জমি অবৈধভাবেচ লাগিয়ত নিয়ে খালির দুই অংশে বেড়িবাধ দিয়ে ও জাল বসিয়ে অবৈধভাবে মাছ চাষ করে যাচ্ছেন স্থানীয় মৃত ফজল আহমদের পুত্র আবদু ছাত্তার। তার বিরুদ্ধে এসটি ৫২/৯৮ অস্ত্র ও ডাকাতি মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। সে সম্প্রতি স্থানীয় আবদু নবীর পুত্র আবু তৈয়বের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবীও করে। তাদের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ দখলবাজ চক্রও রয়েছে। অবৈধভাবে জমি ও খাল জবর দখল করে মাছ চাষের বিষয়টি স্থানীয় কোনাখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব দিদারুল হক সিকদার ও ইউপি সদস্য আবুল কালামসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অবগত রয়েছেন। কিন্তু এলাকার দীর্ঘদিনের কৃষক ও জমির বৈধ মালিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারসহ নানাভাবে হয়রাণী অব্যাহত রেখেছেন অবৈধ দখলদাররা। তারা শুয়রমরা খালে লবণাক্ত পানি ঢোকানোর কারণে এলাকার হাজার হাজার একর জমিতে চলতি বোরো মৌসুমে কোন ধরণের চাষাবাদ করতে পারেনি। এমনকি এলাকার তরুণ সমাজসেবক জনাব ফজলুল কাইয়ুম সিকদারকেও জড়িয়ে প্রতিবাদ সংবাদে মিথ্যাচার করা হয়েছে। তাই আমরা প্রকাশিত উক্ত মিথ্যা ও বানোয়াট প্রতিবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী- মৃত আবদুল হামিদের পুত্র আমির হোসেন, মৃত ইছহাক আহমদের পুত্র নুরুল আবছার, মৃত আবুল হোসেনের পুত্র কফিল উদ্দিন, মৃত এলাহদাতের পুত্র আবদুল মোনাফ, মৃত আশরাফ আলীর পুত্র জামাল হোসেন, মৃত নুর আহমদের পুত্র আবুল হাসেম ও আবদুল জলিলের পুত্র জসিম উদ্দিন, সাং পূর্বসিকদারপাড়া, কোনাখালী ইউনিয়ন,চকরিয়া, কক্সবাজার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.