চকরিয়ায় প্রবাহমান শুয়রমরা খালে লবণাক্ত পানি, বোরো চাষ হয়নি ৫ হাজার একর জমি শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ

গত ৫মার্চ দৈনিক আমাদের কক্সবাজার ও ৬মার্চ দৈনিক ইনানী ও হিমছড়ি পত্রিকা এবং বিভিন্ন অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে “চকরিয়ার কোনাখালী প্রবাহমান শুয়রমরা খালে লবণাক্ত পানি, বোরো চাষ হয়নি ৫ হাজার একর জমি, ক্ষোভে কৃষকরা” শিরোনাম শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের দৃষ্টি গোচর হয়েছে। সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা কাল্পনিক ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। সংবাদের সাথে বাস্তবতার কোন মিলনাই। এলাকার কিছু কুচক্রি মহল অবৈধভাবে জমি জবর দখলে নিতে আমাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত এসব মিথ্যাচার করেছে। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে; চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের সিকদারপাড়া এলাকায় আরএস খতিয়ান নং ১৫০, দাগ নং ৬১৪, সৃজিত বিএস খতিয়ান নং ৯৯৪, দাগ নং ১৪৬৯ থেকে জমি মালিক মরহুম আবদুল আজিজের পুত্র আবদুল রেজ্জাকসহ সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে ৯.৫৭ একর জমি সাব-রেজিষ্ট্রি মূলে ক্রয় করি। আমাদের ক্রয়কৃত জমির উপর কিছু অংশ খাল শ্রেণির হওয়ায় জমির খালের অংশ সাধারণ জনগনের জন্য উন্মুক্ত রেখেছি। উক্ত প্রবাহমানে খালে আমরা মাছ চাষের নিমিত্তে লবণাক্ত পানি ঢুকিয়ে ৫ হাজার একর জমিতে বোরো চাষাবাদ না করার যে তথ্য দেয়া হয়েছে তা সঠিক নয়। কোনাখালী আক্তার মিয়ার নাশি এলাকার নদীর পয়েন্ট দিয়ে টেকসই স্লুইস গেইট না থাকায় এবং বর্তমান স্লুইচ গেইটের প্লেট পুরাতন হয়ে কিছু অংশ উন্মুক্ত থাকার কারণে ওই পয়েন্ট দিয়ে প্রতিনিয়ত লবণাক্ত পানি ঢুকে পরে। যার কারণে আমাদের রেজিষ্ট্রি মূলে ক্রয়কৃত জমি ও শুয়রমরা খালে উক্ত লবণাক্ত পানি মিশিয়ে যায়। ফলে ওই এলাকার অন্যান্য কৃষকদের ন্যায় আমরাও বর্তমান বোরো মৌসুমে ধানী জমির চাষাবাদ করতে পারিনাই। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে লবণাক্ত পানি যুক্ত হওয়ার বিষয়টি আমাদের উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। যার সাথে আমাদের নূন্যতম সম্পৃক্ততা নাই। মূলত: আমাদের ক্রয়কৃত জমি অবৈধভাবে জবর দখলে নিতে কোনাখালী ইউনিয়নের পূর্বসিকদারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত আবদুল হামিদের পুত্র আমির হোসেন, তার ছেলে মনছুর আলম, মৃত ইছহাক আহমদের পুত্র নুরুল আবছার, মৃত আবুল হোসেনের পুত্র কফিল উদ্দিন ও শফি উল্লাহ, মনজুর আলমের ছেলে আবদুল কাইয়ুম, মৃত আশরাফ আলীর পুত্র জামাল হোসেন, মৃত নুর আহমদের পুত্র আবুল হাসেম, আবদুল জলিলের পুত্র জসিম উদ্দিন, মৃত এলাহদাতের পুত্র আবদুল মোনাফ গং এসব ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। বর্তমানে উক্ত প্রবাহমান খালে আমরা ইতিপূর্বে কোন ধরণের মাছ চাষ করিনাই। অন্যদিকে লবণাক্ত পানি ঢুকার কারণে স্থানীয় কৃষকদের ন্যায় চাষাবাদকৃত জমিতে আমরাও ব্যবহার করতে পারছিনা। তাই উক্ত মিথ্যা সংবাদ নিয়ে প্রশাসন ও এলাকাবাসীসহ সংশ্লিষ্ট কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি এবং সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী- মরহুম রাজা মিয়ার পুত্র নাজেম উদ্দিন, জয়নাল আবদীন, আমির হামজার পুত্র আবদুল মালেক, আবদুল মজিদ, নুরুল আলমের পুত্র নাজের হোছন ছোটন, মো: জাবের, হাজী ফকির মোহাম্মদের পুত্র টিপু সোলতান, হাজী জলিল বকসু’র পুত্র মো: এনামুল হক ও মো: হারুন রশিদ ভূট্টো, মাওলানা বশির আহমদের পুত্র মাওলানা কফিল উদ্দিন, মরহুম হাজী আবদুর রহমানের পুত্র আলম উদ্দিন গং, বিএমচর কৃষ্ণপুর ও কোনাখালী, চকরিয়া,কক্সবাজার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.