চকরিয়া পৌর এলাকায় জমি বিরোধের পূর্বশত্রুতায় বসতঘরে হামলা ও ভাংচুর, আহত স্বামী-স্ত্রী

চকরিয়া অফিস:
চকরিয়া পৌর এলাকায় জমি বিরোধের পূর্বশত্রুতায় বসতঘরে ঢুকে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট চালিয়েছে প্রতিপক্ষের লোকজন ও লাঠিয়াল বাহিনী। হামলায় ওই পরিবারের স্বামী-স্ত্রী আহত হয়েছে। পৌরসভা ৪ ও ৬নং ওয়ার্ডের সীমান্তবর্তী ভরামুহুরী উকিল পাড়ায় ৩মার্চ বিকাল ৩টার দিকে ঘটেছে এ ঘটনা। ঘটনার পর খবর পেয়ে থানার উপপরিদর্শক মো: কামরুল ইসলামের নেতৃত্বে সংগীয় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এনিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ও হামলার শিকার পরিবারের জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী আয়েশা বেগম বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। এতে অভিযুক্ত করা হয়েছে একই এলাকার মাশুক আহমদের পুত্র আলমগীর, রুবেল আহমদ, কফিল উদ্দিন ও মো: সোহেল, চিরিংগা সোসাইটি হাসপাতাল পাড়ার আলী আহমদের পুত্র বাদশা মিয়া, রিদুয়ান ও আলী আহমদের স্ত্রী ছেনুয়ারা বেগমসহ অজ্ঞাত আরো ৭/৮জনকে।
বাদী অভিযোগে জানান, হামলাকারী প্রতিপক্ষরা দীর্ঘদিন ধরে বাদীর স্বামী জাহাঙ্গীর আলমের বসতভীটার জমি জবর দখলে নিতে পূর্বশত্রুতা চলে আসছিল। এনিয়ে তাদেরকে নানাভাবে হুমকি ধমকিও দিয়ে আসছিল। সর্বশেষ ৩মার্চ বিকাল ৩টার দিকে দেশীয় ধারালো অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে অতর্কিত বাড়িতে ঢুকে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। হামলায় গৃহকত্রী আয়েশা বেগম (৩০)কে বেধম মারধরে গুরুতর আহত করে। তাকে বাঁচাতে স্বামী জাহাঙ্গীর আলম এগিয়ে আসলে তাকেও মারধর করে আহত করেছে। এসময় লুট করে নিয়েগেছে সাড়ে ১২হাজার টাকা মূল্যের স্যামসাং মোবাইল সেট,আলমারিতে রক্ষিত নগদ ৬০ হাজার টাকা, ১লাখ ৬৫ হাজার টাকা মূল্যের ৩ভরি স্বর্ণালংকার, বসতঘর ভাংচুরে অন্তত ৩লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করে।
চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: হাবিবুর রহমান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষনিকভাবে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য উপপরিদর্শক মো: কামরুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে মামলা নেওয়া হবে।##

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.