বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির মাধ্যমে বাংলাদেশ, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ বিশ্বে মর্যাদা পেয়েছে

 

কক্স টিভি ডেস্কঃ ঢাকা: বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির মাধ্যমে বাংলাদেশ, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ বিশ্বে মর্যাদা পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার গণভবনে ৭ই মার্চের ভাষণ স্বীকৃতির প্রত্যয়পত্র হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় চারটি প্রতিষ্ঠানকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ নিয়ে কাজ করায় সম্মাননা দেন।

প্রতিষ্ঠান চারটি হচ্ছে বিটিভি, বাংলাদেশ বেতার, মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর ও চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন। এচারটি প্রতিষ্ঠান ইউনেস্কোর কাছে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ নিয়ে বিভিন্ন তথ্য প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল।

এর ভিত্তিতে ইউনেস্কোর একটি উপদেষ্টা কমিটি বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণটিকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামান্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। সারাবিশ্ব থেকে আসা বিভিন্ন প্রস্তাব দু বছর ধরে নানা পর্যালোচনার পর ইউনেস্কো উপদেষ্টা কমিটি তাদের মনোনয়ন চূড়ান্ত করে।

বিশ্ব জুড়ে যেসব তথ্যভিত্তিক ঐতিহ্য রয়েছে সেগুলোকে সংরক্ষণ এবং পরবর্তী প্রজন্মের যাতে তা থেকে উপকৃত হতে পারে সে লক্ষ্যেই এ তালিকা প্রণয়ন করে ইউনেস্কো। আর তাতে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চে দেয়া ঐতিহাসিক ভাষণটিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

ইউনেস্কো মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা ৩০শে অক্টোবর এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। ইউনেস্কোর মেমোরি অব দা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে এখন পর্যন্ত অন্তর্ভুক্ত হয়েছে সব মহাদেশ থেকে ৪২৭টি গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস।

পাটের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী

‘পাটের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে আবার উদ্যোগ নেয় বর্তমান সরকার, আওয়ামী লীগের বিরোধিতা সত্ত্বেও পাটকল বন্ধের শর্তে বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে অর্থ নিয়েছিল বিএনপি’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জাতীয় পাট দিবস’ উপলক্ষে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের মঙ্গলবার তিনি একথা বলেন।

তিনি অারো বলেন,পাটশিল্পকে বিএনপি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিতে চেয়েছিলো। বিএনপির আমলেই পাটশিল্প ভারতের হাতে চলে যায়। ৯৬ সালে আমরা যখন ক্ষমতায় এলাম বন্ধ পাটকলগুলো খুলে দিতে শুরু করলাম। এরপর ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে আদমজী জুট মিল বন্ধ করে দিলো। যেখানে ২৫ হাজার শ্রমিক কর্মরত ছিলেন।

তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতার পরপরই সব বন্ধ কলকারখানা খুলে দিয়ে তা জাতীয়করণ করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটাকে যখনই জাতির পিতা সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন ঠিক তখনই তাকে হত্যা করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় বলেন, অন্যান্য শিল্পের মতো পাটশিল্পও প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তার পরিহিত শাড়ি, ব্যবহৃত জুতা ও সঙ্গে থাকা ব্যাগটি পাটের বলে জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.