আওয়ামীলীগ একটি অনূভূতির নাম সৈয়দ আশরাফের সেই উক্তি প্রমাণিত- চকরিয়ায় স্মরণ সভায় এমপি জাফর

চকরিয়া অফিস:
চকরিয়ায় সৈয়দ আশরাফ স্মৃতি পরিষদ উদ্যোগে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ১ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে ৩ জানুয়ারী বিকাল ৩টায় চকরিয়ার অভিজাত রেষ্টুরেন্ট রেডচিলি হলরুমে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। চকরিয়া সৈয়দ আশরাফ স্মৃতি পরিষদের আহবায়ক বাবু রতন কুমার সুশীল’র সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মো. রিয়াদ উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জাফর আলম এমএ। স্মরণ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া পৌর মেয়র আলমগীর চৌধুরী, সাহারবিল ইউপি চেয়ারম্যান মহসিন বাবুল, চকরিয়া পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটু, পৌর সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, পৌর আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি ওয়ালিদ মিল্টন, পৌর আওয়ামীলীগের সহসভাপতি বশির আাহমদ, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সেলিম উদ্দিন লিটন, চকরিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম শহিদ, চকরিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব কাউছার উদ্দিন কছির, শ্রমিকলীগ চকরিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি জামাল উদ্দিন, চকরিয়া পৌর যুবলীগের সভাপতি হাসাঙ্গীর হোসাইন, আওয়ামীলীগ নেতা মিফতাব উদ্দিন চৌধুরী প্রমূখ।
স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি জাফর আলম বলেন- সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ১৯৫২ সালের ১ জানুয়ারিতে ময়মনসিংহ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। পারিবারিক ঐতিহ্যের সূত্র ধরে তিনি ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। স্বাধীনতার পর তিনি বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর কারাগারে বাবা সৈয়দ নজরুল ইসলামসহ জাতীয় চার নেতার হত্যাকান্ডের পর তিনি লন্ডনে চলে যান। আশরাফুল ইসলাম ১৯৯৬ সালে দেশে ফিরে আসেন এবং কিশোরগঞ্জ সদর আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি আরো বলেন- মরহুম সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মতো নেতা দেশে অন্য আরেক জন নেই। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের একজন অন্যতম কান্ডারী ছিলেন। তিনি জীবদ্দশায় বলেছিলেন, আওয়ামীলীগ একটি অনুভূতির নাম। আজ মৃত্যুর পর নেতাকর্মীরা সেই উক্তিকেই বেশি ভালবাসছেন এবং প্রত্যেক নেতাকর্মীদের দৈনন্দিন জীবনে বাস্তবায়ন করছেন। তিনি মরহুম আশরাফের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন বিশিষ্ট দানবীর আহমদ রেজা, পৌর আওয়ামীলীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হুমায়ন কবির,৭ নং ওয়ার্ডের সমাজ সেবক ও দানবীর সাবেক ছাত্রনেতা মিজানুর রহমান এবং যুবলীগ নেতা খোরশেদুল ইসলাম। ##

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Application to the Ministry of Information for registration.